Technobd CsE: Android This is all about technology,Letest techology update are publish here.new and fresh update news are publish here,free internet for android,pc problem,it,ict,fb hack,how to hack, haking tips,learning progamming,games,windows,spesial download file!

banarad

Android লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
Android লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বুধবার, ১৫ নভেম্বর, ২০১৭

ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম ‘উবুন্টু’

By on নভেম্বর ১৫, ২০১৭

                                            ‘উবুন্টু’



বর্তমান সময়ে সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং ক্রমবর্ধমান অপারেটিং সিস্টেম (ওএস) হচ্ছে উবুন্টু। উবুন্টু শব্দটি এসেছে একটি আফ্রিকান ধারণা থেকে যার অর্থ অনুবাদ করলে দাড়ায় অনেকটা অন্যের জন্য মনুষ্যত্ব এরকম। উবুন্টু হচ্ছে লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেমের একটি  সংস্করণ। একটি অপারেটিং সিস্টেম হচ্ছে সেই সফটওয়্যার যা আপনার কম্পিউটারকে চালায়।

মুক্ত অপারেটিং সিস্টেম লিনাক্সের জনপ্রিয় ডিস্ট্রো উবুন্টুর পাশাপাশি রয়েছে এডুবুন্টু, গবুন্টু, কুবুন্টু, লুবুন্টু, উবুন্টু মোবাইল (মোবাইল সংস্করন) ইত্যাদি সংষ্করনও। উবুন্টু ডেস্কটপ ব্যবহারকারীদের জন্য তৈরি করা হলেও এর রয়েছে নেটবুক ও সার্ভার সংস্করন। উবুন্টু হচ্ছে সম্পূর্ণ আধুনিক একটি অপারেটিং সিস্টেম, যাতে উইন্ডোজ বা ম্যাক অপারেটিং সিস্টেমে যা পাওয়া যায় তার সবকিছুই রয়েছে। এটি সবকিছুকে সহজভাবে উপস্থাপন করে এবং আধুনিকতম ফিচার প্রদান করে। এ অপারেটিং সিস্টেমে সংযুক্ত রয়েছে ওয়েবসাইট দেখার জনপ্রিয় সফটওয়্যার মজিলা ফায়ারফক্স, তাৎক্ষনিক বার্তা আদান-প্রদানের (চ্যাট) জন্য রয়েছে পিজিন ম্যাসেঞ্জার যা ইয়াহু, জিমেইল, এআইএম, এমএসএন-এর মত প্রায় সকল সার্ভার সাপোর্ট করে। লেখালেখি করা, স্প্রেডশীট, প্রেজেন্টেশনের জন্য রয়েছে ওপেন অফিস ডট অর্গ নামক সফটওয়্যার, ছবি সম্পাদনার জন্য রয়েছে জিআইএমপি সফটওয়্যার, গান শোনা ও ভিডিও গান দেখার জন্য রয়েছে রিদমবক্স, ভিএলসি প্লেয়ার ইত্যাদি। এই সকল প্রোগ্রামগুলো উবুন্টুর সাধারণ ইন্সটলেশনের সাথেই বিনামূল্যে পাওয়া যায়। পাশাপাশি আছে কোন সফটওয়্যার প্রয়োজন হলে সেটি ইনস্টল করার ব্যবস্থা। উবুন্টুর হার্ডওয়্যার সাপোর্ট খুবই চমৎকার। প্রাত্যহিক জীবনের সাউন্ডকার্ড, গ্রাফিক্সকার্ড, প্রিন্টার, ওয়্যারলেস, ক্যামেরা, ইউএসবি ড্রাইভ, আইপডসহ প্রায় সকল হার্ডওয়্যার সাপোর্ট করে উবুন্টুতে। উবুন্টু পুরাতন হার্ডওয়্যারেও ভাল কাজ করে। প্রায় সকল লিনাক্সের সংস্করণের মত, উবুন্টুও বিনামূল্যে পাওয়া যায়। উবুন্টু সম্পর্কে     বিস্তারিত জানা ও ডাউনলোড করা যাবে www.ubuntu.com ঠিকানা থেকে।

উবুন্টুর নানা ধরনের বৈচিত্রতা সম্ভব হয়েছে মুক্ত সফটওয়্যারের স্বাধীনতার কারণে। এখানে যে কেউ লিনাক্সের একটি সোর্স কোড নিয়ে, তাতে পরিবর্তন করে নিজের একটি সংস্করণ তৈরি করতে পারে। কোন কোন সংস্করণকে বাণিজ্যিকভাবে অর্থায়ন করা হয়, বাকীগুলো গঠিত হয় সারা বিশ্বে ছড়িয়ে থাকা লিনাক্স ব্যবহারকারীদের বিশাল কমিউনিটির সুসংঘটিত একদল মানুষের প্রচেষ্টার মাধ্যমে। উবুন্টু গঠিত হয়েছে এই দুটি মাধ্যম দ্বারাই এটিকে অর্থায়ন করছে ক্যানোনিকাল নামক দক্ষিণ আফ্রিকান একটি প্রতিষ্ঠান যার গঠন হয়েছে ২০০৪ সালে। কিন্তু উবুন্টু বিশাল কমিউনিটির স্বেচ্ছাশ্রমের সুবিধাও নিয়ে থাকে। উবুন্টু গঠিত হয়েছে ডেবিয়ান (www.debian.org) নামক আরেকটি কমিউনিটি নির্ভর লিনাক্সের উপর ভিত্তি করে। যে বিষয়টি উবুন্টু উপস্থাপন করে তা হচ্ছে স্বাধীনতা, ব্যবহার এবং শেয়ারের স্বাধীনতা, এটি দিয়ে যে কোন কিছু করার স্বাধীনতা এবং শেখার স্বাধীনতা।

উবুন্টুর সুবিধা সমুহঃ

সাধারণ ভাবে উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম কিংবা ম্যাকিন্টোশ অপারেটিং সিস্টেমে যা পাওয়া যায় তার মধ্যে সব ধরনের সুবিধাই রয়েছে উবুন্টুতে। উবুন্টু সবকিছুকে সহজভাবে উপস্থাপন করে, পাশাপাশি থাকে আধুনিকতম ফিচার সুবিধা।  ওয়েব ব্রাউজিং এর জন্য রয়েছে মজিলা ফায়ারফক্স। বিশ্বের জনপ্রিয় ব্রাউজারের তালিকায় ফায়ারফক্সের অবস্থান বেশ শক্ত। ফায়ারফক্সে প্রয়োজন অনুযায়ী অ্যাড-অন্স যোগ করার অপশন থাকায় নিজের প্রয়োজনীয় সবকিছুই করা সম্ভব হয়। ইন্সট্যান্ট ম্যাসেজিংয়ের জন্য রয়েছে পিজিন (Pidgin) যা ইয়াহু, জিমেইল, এআইএম, এমএসএন-এর মত প্রায় সকল সার্ভার সাপোর্ট করে। লেখালেখি করা, স্প্রেডশীট, প্রেজেন্টেশনের জন্য রয়েছে ওপেন অফিস ডট অর্গ (OpenOffice.org) নামক সফটওয়্যার, যা উইন্ডোজের মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের মতোই। এতে করা যায় সব ধরনের অফিসিয়াল কাজই। ছবি সম্পাদনার জন্য রয়েছে জিম্প (GIMP)। এছাড়া গান শোনার জন্য আছে রিদম বক্স (RhythmBox) এবং ভিডিও দেখানোর জন্য আছে টোটেম, ভিএলসি  (Totem, VLC) প্লেয়ার। এ  সকল প্রোগ্রামগুলো উবুন্টুর সাধারণ ইন্সটলেশনের সাথেই বিনামূল্যে পাওয়া যায়। এর পাশাপাশি ইন্টারনেট সংযোগ থাকলে নিজের প্রয়োজনীয় যে কোন মুক্ত সফটওয়্যার নামিয়েও নেয়ার সুযোগ রয়েছে।
উবুন্টুর হার্ডওয়্যার সাপোর্ট খুবই চমৎকার। সাধারণত আমাদের নিত্য যে ধরনের কাজের প্রয়োজন হয় তার সবই করা সম্ভব উবুন্টুর মাধ্যমে। এছাড়া উবুন্টুতে ইউএসবি মেমোরি ডিভাইস, ক্যামেরা, আইপড, স্মার্টফোনসহ অসংখ্য প্রয়োজনীয় ডিভাইস ব্যবহার করার ক্ষেত্রে সিডির প্রয়োজন হয় না। প্র্যাক্টিক্যালি উবুন্টু ইন্সটল করার পর এই ডিভাইসগুলো সরাসরি ব্যবহার উপযোগী হয়ে উঠে। বর্তমান সময়ের উন্নত হার্ডওয়্যারের পাশাপাশি উবুন্টু পুরোনো সংস্করনেও ভালো কাজ করে। প্রায় সকল লিনাক্সের সংস্করণের মত, উবুন্টুও বিনামূল্যে পাওয়া যায়। রিলিজের পর সাধারণত ১৮ মাস পর্যন্ত এর আপডেটগুলোও বিনামূল্যে পাওয়া যায়।

শনিবার, ১১ জুন, ২০১৬

রুট কি ?কেনো করবেন মেগা পোষ্ট

By on জুন ১১, ২০১৬


                                  রুট কি ও কেনো করবেন



রুট শব্দটি অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীরা প্রায়ই শুনে থাকবেন। অ্যান্ড্রয়েড কথনে তো বটেই, অ্যান্ড্রয়েড বিষয়ক অন্যান্য সাইট, ফোরাম, এমনকি গুগল প্লে স্টোরে অ্যাপ্লিকেশনও চোখে পড়বে যেগুলো ব্যবহার করতে হলে আপনার ফোন বা ট্যাবলেট রুট করা থাকতে হয়। প্রাথমিকভাবে অনেক অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইস ব্যবহারকারীরাই রুট কী এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর জানেন না। রুট করার মাধ্যমে ডিভাইসের পরিপূর্ণ পারফরম্যান্স পাওয়া সম্ভব, এমন কথা শুনে অনেকেই রুট করতে আগ্রহী হয়ে পড়েন। কিন্তু রুট করার পর দেখা যায় তাদের ডিভাইসের পারফরম্যান্স আগের মতোই রয়ে যায়। তখন তারা হতাশ হয়ে পড়েন ও রুটের কার্যকারিতা বা আসল সুবিধা কী এই প্রশ্ন তাদের মনে আবারও উঁকি দিতে শুরু করে।
এই লেখাটি তাদের জন্যই যাদের রুট নিয়ে স্পষ্ট ধারণা নেই।
রুট কী?

সবচেয়ে সহজ শব্দে বলা যায়, রুট হচ্ছে অ্যাডমিনিস্ট্রেটর বা প্রশাসক। যদিও এর বাংলা অর্থ গাছের শিকড়, লিনাক্সের জগতে রুট বলতে সেই পারমিশন বা অনুমতিকে বোঝায় যা ব্যবহারকারীকে সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী করে তোলে (অবশ্যই কেবল সেই কম্পিউটার, ডিভাইস বা সার্ভারে!)। রুট হচ্ছে একটি পারমিশন বা অনুমতি। এই অনুমতি থাকলে ব্যবহারকারী সেই ডিভাইসে যা ইচ্ছে তাই করতে পারেন। উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমে ব্যবহারকারী অ্যাডমিনিস্ট্রেটর প্রিভিলেজ ছাড়া সিস্টেম ফাইলগুলো নিয়ে কাজ করতে পারেন না (যেগুলো সাধারণত সি ড্রাইভে থাকে)। লিনাক্সেও তেমনি রুট পারমিশন প্রাপ্ত ইউজার ছাড়া সিস্টেম অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের কাজগুলো করা যায় না। যিনি লিনাক্স-চালিত কম্পিউটার বা সার্ভারে যা ইচ্ছে তাই করতে পারেন অথবা যার সব কিছু করার অনুমতি রয়েছে, তাকেই রুট ইউজার বলা হয়। অনেক সময় একে সুপারইউজার বলেও সম্বোধন করা হয়ে থাকে।

শব্দটি এতোই প্রচলিত হয়ে গেছে যে, রুট ইউজার বলার বদলে সরাসরি রুট বলেই সেই ব্যবহারকারীকে সম্বোধন করা হয়। অর্থাৎ, আপনার লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেমের আপনি যদি রুট অ্যাক্সেস প্রাপ্ত ব্যবহারকারী হন, তাহলে আপনি রুট।

লিনাক্স এবং অ্যান্ড্রয়েড

অনেকেরই হয়তো খটকা লাগতে শুরু করেছে যে, অ্যান্ড্রয়েড নিয়ে কথা বলতে এসে লিনাক্সকে টানা হচ্ছে কেন। মূলত, অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমটি লিনাক্স কার্নেলের উপর ভিত্তি করেই তৈরি করা হয়েছে। যারা কম্পিউটারে লিনাক্সভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করেছেন, তারা অ্যান্ড্রয়েড রুট করার পর কম্পিউটারের মতোই ফাইল সিস্টেম (রুট পার্টিশন) দেখতে পাবেন অ্যান্ড্রয়েডে, তখন বিষয়টা আরও স্পষ্ট হবে।

অ্যান্ড্রয়েডে রুট অ্যাক্সেস

লিনাক্স-ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম ইন্সটল করার পর আপনার যেই পাসওয়ার্ড থাকবে, সেটি ব্যবহার করেই আপনি রুট অ্যাক্সেস পেয়ে যাচ্ছেন। এখন নিশ্চয়ই আপনার মনে প্রশ্ন জাগছে, অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসটিও তো আপনিই কিনেছেন, তাহলে আপনি কেন রুট অ্যাক্সেস পাচ্ছেন না?

ট্রিকটা এখানেই। আপনি ডিভাইসটি কিনেছেন ঠিকই, কিন্তু আপনি কিন্তু অপারেটিং সিস্টেমটি ইন্সটল করেননি, তাই না? ডিভাইস প্রস্তুতকারক ডিভাইসটি প্যাকেটজাত করার আগে তাদের কম্পিউটার থেকে লিনাক্স কার্নেলের উপর তৈরি অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম ইন্সটল করে দিয়েছে। এখানে বলা বাহুল্য, অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমের মূল ভিত্তিটা এক হলেও একেক কোম্পানি একেকভাবে একে সাজাতে বা কাস্টোমাইজ করতে পারেন। এই জন্যই সনির একটি অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসের ইউজার ইন্টারফেসের সঙ্গে এইচটিসির একটি অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসের ইন্টারফেসের মধ্যে খুব কমই মিল পাওয়া যায়।

যাই হোক, মূল বিষয়ে আসা যাক। আপনার ডিভাইস প্রস্তুতকারক কোম্পানি ইচ্ছে করেই আপনাকে রুট অ্যাক্সেস দেয়নি। এ কথা শুনে কোম্পানির উপর কিছুটা রাগ অনুভূত হলেও সত্য কথা হচ্ছে এই যে, এটি আপনার ডিভাইসের সুরক্ষার জন্যই করা হয়েছে। আসুন জেনে নিই কেন রুট অ্যাক্সেস স্বাভাবিক অবস্থায় দেয়া থাকে না।

কেন ডিভাইস রুট করবেন?

ডিভাইস রুট করার কারণ একেক জনের একেক রকম হয়ে থাকে। কেউ ডিভাইসের পারফরম্যান্স বাড়ানোর জন্য বা ইন্টারনাল মেমোরি ফাঁকা করার জন্য রুট করে থাকেন, কেউ ওভারক্লকিং করার মাধ্যমে ডিভাইসের গতি বাড়ানোর জন্য রুট করেন, কেউ স্বাধীনভাবে কাজ করা ডেভেলপারদের তৈরি বিভিন্ন কাস্টম রম ব্যবহার করার জন্য, কেউ বা আবার রুট করার জন্য রুট করে থাকেন। আমি নিজেও প্রথম রুট করেছিলাম কোনো কারণ ছাড়াই। লিনাক্স ব্যবহার করি বলে বিভিন্ন সময় রুট হিসেবে অনেক কাজ করেছি কম্পিউটারে। কিন্তু অ্যান্ড্রয়েড ফোনে রুট পারমিশন না থাকায় একটু কেমন যেন লাগছিল। তাই রুট হওয়ার জন্য রুট করেছিলাম।

পরে অবশ্য পারফরম্যান্স বাড়ানোর জন্য বিভিন্ন সিস্টেম অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করতে শুরু করেছি যেগুলো রুট করা ডিভাইস ছাড়া কাজ করে না। তবে সেসব নিয়ে পড়ে কথা হবে। চলুন আগে এক নজর দেখে নিই রুট করার সুবিধা ও অসুবিধা।

রুট করার সুবিধা

পারফরমেন্স বাড়ানোঃবিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করে ডিভাইসের অব্যবহৃত ফাইল, টেমপোরারি ফাইল ইত্যাদি নিয়মিত মুছে ফোনের গতি ঠিক রাখা।
ওভারক্লকিং করাঃ সিপিইউ স্পিড স্বাভাবিক অবস্থায় যতটা থাকে তারচেয়ে বেশি দ্রুত কাজ করানো। এর মাধ্যমে কোনো বিশেষ কাজে প্রসেসরের গতি বাড়ানোর প্রয়োজন পড়লে তা করা যায়।
আন্ডারক্লকিং করাঃ যখন ডিভাইস এমনিতেই পড়ে থাকে, তখন সিপিইউ যেন অযথা কাজ না করে যে জন্য এর কাজের ক্ষমতা কমিয়ে আনা। এতে করে ব্যাটারি ব্যাকআপ বাড়ানো সম্ভব।
কাস্টম ইউআই: আপনার ডিভাইসের হোমস্ক্রিন, লক স্ক্রিন, মেনু ইত্যাদি বিভিন্ন ইউজার ইন্টারফেসের ডিজাইন একটা সময় পর আর ভালো নাও লাগতে পারে। তখন আপনি ডিভাইসে নতুনত্ব আনতে পারবেন নতুন সব কাস্টম ইউজার ইন্টারফেসের মাধ্যমে। এগুলোকে অন্যভাবে রমও বলা হয়।
কাস্টম রম: ইন্সটল করার সুবিধা। অনেক ডেভেলপার বিভিন্ন জনপ্রিয় ডিভাইসের জন্য কাস্টম রম তৈরি করে থাকেন। এসব রম ইন্সটল করে আপনি আপনার সেটকে সম্পূর্ণ নতুন একটি সেটের রূপ দিতে পারবেন। বাইরে থেকে অবশ্যই এর ডানা-পাখনা গজাবে না বা ক্যামেরা ৫ মেগাপিক্সেল থেকে ৮ মেগাপিক্সেল হবে না, কিন্তু ভেতরের ডিজাইন ও ক্ষেত্রবিশেষে পারফরম্যান্সেও আসবে আমূল পরিবর্তন।

রুট করার অসুবিধা

ওয়ারেন্টি হারানোঃ ডিভাইস রুট করার মাধ্যমে আপনার ওয়ারেন্টি বাতিল হয়ে যাবে। তাই রুট করার আগে সাবধান। অবশ্য অনেক সেট আবার আনরুট করা যায়। আর সেট আনরুট করা হলে তা সার্ভিস সেন্টারে থাকা টেকনিশিয়ানরা অনেক সময়ই ধরতে পারেন না যে সেটটি রুট করা হয়েছিল। তবে কাস্টম রম থাকলে ধরা খাওয়া এড়ানোর উপায় নেই।
ফোন ব্রিক করাঃ  ব্রিক অর্থ ইট। আর ফোন ব্রিক মানে আপনার ডিভাইসকে ইটে রূপান্তরিত করা। অর্থাৎ, এর কাজ করার ক্ষমতা হারানো। রুট করা ও এর পরবর্তী বিভিন্ন কাজের সময় একটু এদিক-সেদিক হলেই ফোনে স্থায়ী বা অস্থায়ী সমস্যা হতে পারে। আপনার ফোনের প্রস্তুতকারক কোম্পানি ফোনটি আনরুট অবস্থায় দেন যেন এর ক্ষতি না হয়। রুট করার মাধ্যমে আপনি সেই নিশ্চয়তা ভেঙ্গে ফেলছেন।




এবার আপনার পালা। আপনার ডিভাইসটি কি রুট করা? রুট করা হলে আমাদের জানাতে পারেন কীভাবে ডিভাইসটি রুট করেছেন। আর যদি এখনও রুট না করে থাকেন, তাহলে মন্তব্যের ঘরে বলুন এই লেখা পড়ে আপনি কী ভাবছেন।

এবারে root ছারাই অ্যান্ড্রয়েডের অতিরিক্ত নেট ব্যবহার বন্ধ করে দিন খুব সহজেই

By on জুন ১১, ২০১৬


এবারে root ছারাই অ্যান্ড্রয়েডের অতিরিক্ত নেট ব্যবহার বন্ধ করে দিন


আমরা অ্যান্ড্রয়েড ফোনের একটি দিক নিয়ে আমরা সবাই সমস্যায় ভুগে থাকি, সেটি হলো অতিরিক্ত ইন্টারনেট ডেটা ব্যবহার। আপনি অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ্লিকেশনগুলো বন্ধ করে রাখলেও দেখবেন ১০-২০ দিনেই আপনার ৫০০-১০০০ মেগাবাইট ডাটা খরচ হয়ে গেছে! ডাটা ব্যবহারই নয়, ডাটা খরচ হতে থাকার কারণে অনেকেই আমরা ব্যাটারি ব্যাকআপ অনেক কম পাই, যার কারণে আমাদের সারাদিন ফোন চার্জে দিয়ে রাখতে হয়। লিমিটেড ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের জন্য এটি আসলেই একটি মহাসমস্যার ব্যাপার। কিন্তু আপনি যদি অ্যান্ড্রয়েডের এই ইন্টারনেট ব্যবহারের লাগাম টেনে ধরতে চান, তাহলে আপনি ব্যবহার করতে পারেন no root firewall pro  নামের দারুণ এই অ্যাপ্লিকেশন।

এটা ইন্টারনেট ডাটা বাচানোর জন্য দারুন অ্যাপ। মানে এক কথায় অসাধারন। আর রুটেরও দরকার নাই।

এই অ্যাপ মুলত আপনার সেটে যারাই নেট চাইবে, আপনাকে জানাবে। আর যে সব অ্যাপ এ আপনার নেট ইউস করার প্রয়োজন নেই তাদের deny করুন আর যাদের নেট দরকার তাদের allow করুন। নিচের ফটোগুলো দেখলেই বুঝবেন।


ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করন

মঙ্গলবার, ২৯ মার্চ, ২০১৬

অ্যান্ড্রয়েড এন-এর নতুন ফিচার (আপ কামিং)

By on মার্চ ২৯, ২০১৬
                         অ্যান্ড্রয়েড এন-এর নতুন ফিচার

    

অ্যান্ড্রয়েড এনে থাকবে হ্যামবার্গার মেনুঅ্যান্ড্রয়েড ৬ দশমিক শূন্য বা মার্সম্যালো সংস্করণটি এখনো অধিকাংশ স্মার্টফোনে আসেনি, কিন্তু গুগলের তৈরি পরবর্তী অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমের তথ্য প্রকাশ পেতে শুরু করেছে। অ্যান্ড্রয়েড ডেভেলপারস গ্রুপে গুগল কর্তৃপক্ষ স্ক্রিনশট পোস্ট করেছে যাতে অ্যান্ড্রয়েড এনের নতুন ফিচার সম্পর্কে জানানো হয়েছে।
স্ক্রিনশট অনুযায়ী, অ্যান্ড্রয়েডের নতুন সংস্করণের বাম দিকের কোনায় হ্যামবার্গার মেনু বাটন থাকবে। হ্যামবার্গার বাটন বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশনে নেভিগেশন টুল হিসেবে ব্যবহার করা হয়। এতে আরও বেশি মেনু অপশন ব্যবহারের সুযোগ হবে। 
অ্যান্ড্রয়েড মার্সম্যালো বা পুরোনো সংস্করণগুলোর সেটিংসে হ্যামবার্গার বাটনটি নেই। অ্যান্ড্রয়েড এনে এই ফিচারটি যুক্ত হলে বিভিন্ন সেটিংস ব্যবহারে সুবিধা পাবেন ব্যবহারকারী। 
এ বছরের মে মাসে গুগলের আই/ও সম্মেলনে অ্যান্ড্রয়েড এন সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানাবে গুগল। 
সাধারণত অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমের নাম রাখার ক্ষেত্রে বিশেষ ঐতিহ্য অনুসরণ করে গুগল। এর আগে অ্যান্ড্রয়েডের বিভিন্ন সংস্করণের ক্ষেত্রে জিঞ্জারব্রেড, হানিকম্ব, আইসক্রিম স্যান্ডউইচ, জেলি বিন, কিটক্যাট, ললিপপ ও মার্সম্যালো নাম রেখেছে গুগল। মার্সম্যালো মূলত চিনির প্রলেপ দেওয়া ক্যান্ডি বিশেষ। ইংরেজি এ থেকে শুরু করে এম পর্যন্ত অক্ষর দিয়ে অ্যান্ড্রয়েড সংস্করণগুলোর নাম রয়েছে। এই ধারাবাহিকতায় নতুন সংস্করণটিকে এখনো অ্যান্ড্রয়েড এন বলা হচ্ছে। কিন্তু এন দিয়ে কী বোঝানো হবে? গুগলের প্রধান নির্বাহী সুন্দর পিচাই গত বছর ভারত সফরে এসে মজা করে বলেছিলেন, অ্যান্ড্রয়েডের পরবর্তী সংস্করণের নাম কী হবে তা ঠিক করতে অনলাইন জরিপ করা যেতে পারে!


আইফোনটির লক ভাঙল এফবিআই

By on মার্চ ২৯, ২০১৬
     অবশেষে আইফোনটির লক ভাঙল এফবিআই



অনেক জল্পনা কল্পনার পর যুক্তরাষ্ট্রের স্যান বার্নারডিনো হত্যাযজ্ঞে ব্যবহার করা আইফোনের নিরাপত্তাব্যবস্থা (লক) ভেঙেছে ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (এফবিআই)। তাও আবার আইফোনের নির্মাতা অ্যাপলের সাহায্য ছাড়াই। গত মাসে নতুন প্রোগ্রামিং সংকেত বা কোড লিখে অভিযুক্ত সৈয়দ রিজওয়ান ফারুকের আইফোন থেকে তথ্য সংগ্রহে সহযোগিতা করতে অ্যাপল কম্পিউটার ইনকরপোরেটেডকে নির্দেশ দেয় যুক্তরাষ্ট্রের আদালত। কিন্তু সে নির্দেশ উপেক্ষা করে প্রতিবাদ জানায় অ্যাপল। এফবিআই কর্মকর্তারা সোমবার জানান, তাঁরা অ্যাপলের সাহায্য ছাড়াই বিকল্প উপায়ে তথ্য উদ্ধারের পথ খুঁজে পেয়েছেন। ফলে মামলাটির আর প্রয়োজন থাকছে না। আদালত থেকেও তাই মামলা প্রত্যাহার করে নেন।
সরকারের পক্ষে এক বিবৃতিতে মার্কিন অ্যাটর্নি আইলিন এম ডেকার এবং সহকারী অ্যাটর্নি ট্রেসি এল উইলকিসন বলেন, ‘ফারুকের আইফোনের সংরক্ষিত তথ্য উদ্ধারে সফল হয়েছে সরকার। আর তাই অ্যাপল ইনকরপোরেটেডের সাহায্যের দরকার আর হচ্ছে না।
এফবিআইয়ের সে ঘোষণার পর অ্যাপলের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়, মামলাটি এমন এক বিষয় উত্থাপন করেছে, যা সাধারণ মানুষের অধিকার এবং তথ্য নিরাপত্তা নিয়ে জাতীয় আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অ্যাপল এখনো সে বিষয়ে আলোচনা চালিয়ে যেতে ইচ্ছুক।
বিবৃতিতে আরও লেখা ছিল, ‘আমরা সরকারকে সাহায্য করে যেতে চাই, যেমনটা আমরা আগেও করে এসেছি। একই সঙ্গে আমরা আমাদের যন্ত্রের নিরাপত্তা আরও জোরদারে সক্রিয় হব।
গত ডিসেম্বরে ফারুক এবং তাঁর স্ত্রী স্যান বার্নারডিনোতে ১৪ জন মানুষ হত্যা করে পরে পুলিশের গুলিতে আহত হন।
পাঁচ সপ্তাহের বাগ্বিতণ্ডার পর ক্যালিফোর্নিয়ার আদালতে দুই পক্ষের দেখা করার কথা ছিল। গত সপ্তাহে এফবিআই জানায়, অ্যাপলের সাহায্যের দরকার হয়তো আর পড়বে না।
তবে বিকল্প রাস্তাটি কী এবং কে সরকারকে এই বিষয়ে সাহায্য করেছে এ ব্যাপারে কোনো বক্তব্য এখনো পাওয়া যায়নি। সে যাই হোক, লাভের গুড়টা কিন্তু অ্যাপলের ঘরেই বেশি উঠছে। কারণ, তারা যন্ত্র তৈরিতে এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি সচেতন।
বিবিসি ও টেকক্রাঞ্চ অবলম্বনে 


শনিবার, ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬

গুগল ক্রমে এক্সটেনশন এর ব্যবহার

By on ফেব্রুয়ারি ০৬, ২০১৬
                                           গুগল ক্রমে   এক্সটেনশন এর ব্যবহার 




 বর্তমানে YouTube এখনকার সময়ে অনলাইনের সবথেকে বড় ভিডিও সার্চ ইঞ্জিন। অন্যান্য সাইটের মতো এই সাইটিও বেঁচে আছে বিভিন্ন বিজ্ঞাপনের উপর।
ভিজিটরদের কাছে বিজ্ঞাপনের মতো বিরক্তিকর কিছুই নাই। টাকা খরচ করে পছন্দের ভিডিও দেখতে এসে তার পরিবর্তে যদি এমন অহেতুক বিজ্ঞাপন দেখতে হয় তাহলে তার থেকে বিরক্তিকর ব্যাপার আর কি থাকতে পারে বলুন। আর তাছাড়া সব ধরনের বিজ্ঞাপন নিরাপদ নয়। কিছু কিছু ক্ষেত্রে আবার দর্শকদের বিজ্ঞাপন দেখতে বাধ্যও করা হয়। আজ আপনাদের দেবো এ সকল বিজ্ঞাপনের হাত থেকে বাঁচার সব থেকে সহজতম উপায়।
সব থেকে আগে আপনার গুগোল ক্রোমটি ওপেন করুন। কেননা যে এক্সটেনশনটি আপনার এই এ্যাডগুলোকে আটকাবে সেটা শুধু মাত্র ক্রোমেই কাজ করবে। এবার এই লিংকে  প্রবেশ করে এক্সটেনশনটি আপনার ব্রাউজারে ইন্সটল করে নিন। ব্যস! বাকিটা ও নিজেই করে দেবে। আপনাকে কিছু করতে হবে না। ও এক্সটেনশনটির নাম >>>“Adblock for Youtube”.
ধরুন, একটা সাইট ঘুরছেন। তার ফন্ট আপনার পছন্দ হয়ে গেল, তখন কিভাবে সেটাকে আপনার সাইটে ব্যবহার করবেন ? যে কোনো ওয়েব ডিজাইনারের সব থেকে বড় সমস্যা হলো ওয়েব ফন্টসতবে সমস্যাটি কিন্তু মোটেই দীর্ঘ স্থায়ী নয়। অন্যান্য সমস্যার মতো এটারও একটা সহজ ও সুন্দর সমাধান আছে। এখন আপনাদের সে সমাধানটিই দেব।
পূর্বতন প্রক্রিয়ার মতো আপনার গুগোল ক্রোম ওপেন করুন। এবার এই লিংক থেকে>>> ‘What Font’ নামে এই এক্সটেনশনটি ডাউনলোড করে নিন। আপনার ফন্ট সমস্যা সমাধান হয়ে যাবে।
What Font গুগোল ক্রোমের সব থেকে দরকারি একটা ফন্ট। এখানে আপনি কয়েক হাজারের বেশি ফন্ট ফ্রীতে পেয়ে যাবেন। এটার প্রধান উপযোগীতা একটি হলো- এক এটা সহজে ব্যবহার করা যায়। পাশাপাশি ওয়েব ডিজাইনের ক্ষেত্রে যে ধরণের ফন্ট সমস্যা দেখা দেয় তারও সমাধান হয়ে যাচ্ছে। এই এক্সটেনশনটি এখন ক্রোমের সব থেকে জনপ্রিয় এক্সটেনশন।
   ব্রউজারে ভি পি এন এর প্রয়োজন হলে ব্রাউজেক (Browsec) এই এক্সটেনশন অ্যাড করতে পারেন।

ভাল থকবেন সবাই .সাথেই থাকবেন ভাল লাগলে কমেন্ট করতে ভুল্বেন না, প্রয়োজনে ফেসবুক



Recomanded Article :

Internet Download Manager Universal Crack is Here ! [IDM 6.25 Build 10 UPDATED]

Internet Download Manager Universal Crack
Internet Download Manager aka IDM developers release a new build of  their well-known Download Accelerator; Internet Download Manager  regularly. So everybody who uses pirated versions get so pissed off that they have to find a new version of crack every time when an IDM update comes. So we made a really awesome fix for that
An Universal Web Crack. A new era in scene world. Web crack is a new concept of cracks that download and update crack content as the target program gets updated.
POSTED BY :TANBIR HASAN

সোমবার, ৩০ নভেম্বর, ২০১৫

স্মার্টফোন দিয়ে থ্রিডি দেখুন গুগোল কার্ডবোর্ডে

By on নভেম্বর ৩০, ২০১৫
                                        স্মার্টফোন দিয়ে থ্রিডি দেখুন গুগোল কার্ডবোর্ডে



স্মার্টফোনে থ্রিডি দেখার জন্য গুগোল কার্ডবোর্ড নামে একটি বক্স আবিস্কার করেছে গুগোল। মূলত এর কাজ হল থ্রিডি ভিউ এর মাধ্যমে অল্প খরচে ভার্চুয়াল রিয়ালিটি উপভোগ করা। আসলে এই বক্সটি একটি কাগজের বক্স যেখানে একপাশে আপনার স্মার্টফোনটিকে প্রবেশ করাতে হবে। এরপর অন্যপাশে আপনি এর থ্রিডি ভিউ দেখতে পারবেন। ভার্চুয়াল গেইম খেলা, ট্যুর করা, থ্রিডি মুভি দেখাসহ অনেক কাজই করতে পারবেন এই গুগোল কার্ডবোর্ডে। এন্ড্রএড এবং আইওএস দুটি প্লাটফর্মেই এই সুবিধা ভোগ করতে পারবেন। এই জন্য আপনাকে অ্যাপ স্টোর থেকে একটি 'ভিআর' অ্যাপ ডাউনলোড করতে হবে। মোটকথা অল্প খরচে আপনার স্মার্টফোনেই থ্রিডি টিভির মজা উপভোগ করতে পারবেন। বাংলাদেশেও এখন এই গুগোল কার্ডবোর্ড পাওয়া যাচ্ছে। দাম ৫০০ থেকে ১০০০ টাকা। এছাড়া আপনি নিজেও চাইলে এই কার্ডবোর্ডটি তৈরি করে ফেলতে পারেন। এক্ষেত্রে এই লিঙ্কে গিয়ে ফর্মুলাটি দেখে নিন।

শনিবার, ২১ নভেম্বর, ২০১৫

নিয়ে নিন এন্ড্রয়েড এর জন্য কিছু গোপন কোড

By on নভেম্বর ২১, ২০১৫
                                  নিয়ে নিন এন্ড্রয়েড এর জন্য কিছু গোপন কোড




সবাইকে সালাম এবং শুভেচ্ছা আজ আপনাদেরকে এনড্রয়েড মোবাইলের কিছু গুরত্বপূর্ন code সংগ্রহ করে দিলাম হয়ত আপনাদের ভালো লাগবে। Android Information #44336# Software Version Info *#1234# View SW Version PDA, CSC, MODEM *#12580 369# SW & HW Info #197328640# Service Mode *#06# = IMEI Number. *#1234# = Firmware Version. *#2222# = H/W Version. *#8999 8376263# = All Versions Together. #272 imei#* Product code # #3264# # – RAM version #92782# = Phone Model *# #9999# # = Phone/pda/csc info Android Testing #07# Test History *#232339# WLAN Test Mode *#232331# Bluetooth Test Mode *# #232331# #– Bluetooth test #0842# Vibration Motor Test Mode *#0782# Real Time Clock Test *#0228# ADC Reading *#32489# (Ciphering Info) *#232337# Bluetooth Address *#0673# Audio Test Mode *#0 # General Test Mode #3214789650# LBS Test Mode *#0289# Melody Test Mode *#0589# Light Sensor Test Mode *#0588# Proximity Sensor Test Mode *#7353# Quick Test Menu *#8999 8378# = Test Menu. # #0588# # – Proximity sensor test # #2664# # – Touch screen test # #0842# # – Vibration test* Cellular Network 7465625 638# Configure Network Lock MCC/MNC #7465625 638# Insert Network Lock Keycode *7465625 782# Configure Network Lock NSP #7465625 782# Insert Partitial Network Lock Keycode *7465625 77# Insert Network Lock Keycode SP #7465625 77# Insert Operator Lock Keycode *7465625 27# Insert Network Lock Keycode NSP/CP #7465625 27*# Insert Content Provider Keycode *#7465625# View Phone Lock Status *#232338# WLAN MAC Address *#526# WLAN Engineering Mode -runs wlan tests (same as below) *#528# WLAN Engineering Mode *#2263# RF Band Selection-not sure about this one appears to be locked *#301279# HSDPA/HSUPA Control Menu—change HSDPA classes (opt. 1-5) Tools/Misc. # #1111# # – Service Mode #273283 255 663282*# Data Create SD Card #4777 8665# = GPSR Tool. *#4238378# GCF Configuration *#1575# GPS Control Menu *#9090# Diagnostic Configuration *#7284# USB I2C Mode Control—mount to usb for storage/modem *#872564# USB Logging Control *#9900# System dump mode- can dump logs for debugging *#34971539# Camera Firmware Update *#7412365# Camera Firmware Menu #273283 255 3282 # Data Create Menu- change sms, mms, voice, contact limits 2767 4387264636# Sellout SMS / PCODE view #3282 727336 # Data Usage Status *# #8255# # – Show GTalk service monitor-great source of info *#3214789# GCF Mode Status *#0283# Audio Loopback Control #7594# Remap Shutdown to End Call TSK *#272886# Auto Answer Selection ****SYSTEM*** USE WITH CAUTION #7780# Factory Reset *2767 3855# Full Factory Reset # #7780# # Factory data reset *#745# RIL Dump Menu *#746# Debug Dump Menu *#9900# System Dump Mode *#8736364# OTA Update Menu *#2663# TSP / TSK firmware update *#03# NAND Flash S/N Warning: – কিছু কোড আপনার ফোনের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে (wipe data and etc.) এজন্য আমি দ্বায়ি নই।র চেষ্টা করব। আপনারা আমার জন্য দোয়া করবেন।ভালো থাকবেন সবাই। ধন্যবাদ

মঙ্গলবার, ১৭ নভেম্বর, ২০১৫

স্মার্টফোনের জন্য গুগলের বাংলা কি–বোর্ড

By on নভেম্বর ১৭, ২০১৫


                                      স্মার্টফোনের জন্য গুগলের বাংলা কি–বোর্ড


বাংলা কি–বোর্ডসার্চ ইঞ্জিন গুগল এবার স্মার্টফোনে বাংলা লেখার জন্য কি-বোর্ড চালু করেছে। গুগল ইন্ডিক কি-বোর্ড নামের অ্যাপের সহায়তায় যে কেউ চাইলেই স্মার্টফোনে বাংলা লিখতে পারবেন। এ সেবাটি এর আগে গুগল ট্রান্সলেটে চালু করা হয়। গুগল ট্রান্সলেটে গিয়ে বাংলা নির্বাচন করে আলাদা কোনো ধরনের বাংলা কি-বোর্ড ছাড়াই গুগলের তৈরি নিজস্ব বিল্ট-ইন কি-বোর্ডের সাহায্যে বাংলা লেখার সুবিধা আছে।


এবার এ সুবিধাটি অ্যাপে যুক্ত করা হয়েছে। এর ফলে এখন এ অ্যাপটি স্মার্টফোনে ইনস্টল করে বাংলা লিখতে পারবেন ব্যবহারকারীরা। নতুন এ সেবাটি চালুর বিষয়ে গুগলে কান্ট্রি ইঞ্জিনিয়ারিং কনসালট্যান্ট খান মোহাম্মদ আনোয়ারুস সালাম প্রথম আলোকে বলেন, সম্প্রতি গুগলের তৈরি ‘গুগল ইন্ডিক কি-বোর্ড’ অ্যাপে বাংলা কি-বোর্ড যুক্ত হয়েছে। এখন থেকে স্মার্টফোনে এ অ্যাপটি ইনস্টল করেই বাংলা নির্বাচন করে বাংলা লেখা যাবে। বাংলা লেখার ক্ষেত্রে অ্যাপটিতে ফোনেটিক লেআউট ব্যবহার করা হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।



গুগলের বাংলার নানা কার্যক্রম বাড়ানোর ক্ষেত্রে নতুন এ সেবাটি ব্যবহারকারীদের জন্য স্মার্টফোনে বাংলা লেখার বিষয়টি আরও সহজ সেবা দেবে উল্লেখ করে খান মোহাম্মদ আনোয়ারুস সালাম জানান, যাঁরা এখনো স্মার্টফোনে বাংলা লেখার ক্ষেত্রে সমস্যায় আছেন বা অন্য কোনো অ্যাপ ব্যবহার করছেন না, তাঁরা চাইলেই গুগলের এ অ্যাপটি ব্যবহার করে স্মার্টফোনেই সহজে বাংলা লিখতে পারবেন। সেবাটি পেতে চাইলে গুগল প্লে স্টোর (থেকে অ্যাপটি ডাউনলোড করে ইনস্টল করে বাংলা নির্বাচন করতে হবে। বাংলা ছাড়া এ কি-বোর্ডের সাহায্যে ইংরেজি, অসমীয়া, গুজরাটি, হিন্দি, কানাড়ি, মালায়েম, মারাঠি, ওডিশা, পাঞ্জাবি, তামিল ও তেলেগু ভাষায় লেখা যাবে।

শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০১৫

How To Fix Bluestacks Black Screen Problem

By on অক্টোবর ২৩, ২০১৫
অনেক সময় Bluestacks এ অনেক গেইমস যেমন Clash Of Clans, Hay Day চালাতে গেলে Black Screen এর ঝমেলায় পড়েন। পুরো ডিস্পেলে কালো হয়ে থাকে। সেই সমস্যা থেকে মুক্তি পাবার জন্য আজকে আমার এই পোস্ট!
তো চলুন শুরু করা যাক। 


প্রথম ধাপ:

  • এখান থেকে Bluestacks  অফলাইন ভার্শন টি নামিয়ে নিন।
  • এবারে ইনষ্টল করুন।
  • ইনষ্টল করা হয়ে গেলে Bluestacks ওপেন হবে।
  • ক্লোজ করে দিন।

দ্বিতীয় ধাপ:

      # এবার শুরু হবে মেইন কাজ

  • Start এ যান। তারপর  REGEDIT লিখে সার্চ করুন।
                           


  • REGEDIT এ ক্লিক করুন। পপ আপ হবে। ইয়েস দিন।
  • এবারে নিচের মেনুর মত জিনিস পাবেন।
  • এবারে HKEY LOCAL MACHINE এ ক্লিক করুন।
  • তারপর SOFTWARE এ ক্লিক করুন।
  • তারপর Bluestacks এ ক্লিক করুন।
  • তারপর Guests এ ক্লিক করুন।
  • তারপর Android এ ক্লি করুন।
  • এবারে ডান পাশ থেকে Memory তে রাইট বাটন ক্লিক করুন। তারপর Modify এ ক্লি করুন।
  • এবারে Decimal এ ক্লিক করে Value Data ৫০০ দিন। তারপর ওকে দিয়ে বের হয়ে আসুন।
          

সব কাজ শেষ। এবারে যেকোনো গেইমস চালান। কোনো কালো ডিস্পেলের সমস্যায় পড়বেন না গ্যারান্টি!!



আর কোনো সমস্যায় পড়লে আমার ফেইসবুকে কানেক্ট দিতে পারেন। technobd.cse.(ধন্যবাদ ভালো থাকবেন সবাই,আর ভুল হলে মার্জনা করবেন)

মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০১৫

এখন আমি এন্ড্রয়েড মোবাইল রুট করার প্রসেস নিয়ে কথা বলব

By on অক্টোবর ২০, ২০১৫

রুট করুন যেকোন মোবাইল, ইন্সটল করুন কাস্টম রিকোভারি, করুন রোম ব্যাকআপ অ্যান্ড রিষ্টর খুব সহজে


রুট করুন যেকোন মোবাইল, ইন্সটল করুন কাস্টম রিকোভারি, করুন রোম ব্যাকআপ অ্যান্ড রিষ্টর খুব সহজে






রুট করার পূর্বে কিছু কথা বলি। আপনি যদি না জানেন রুট কি তাহলে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ,তাই আমি আর বিস্তারিত বললাম না।

আজকে আমি যেই রুট প্রসেসটা আপনাদেরকে দিচ্ছি তা হচ্ছে Framaroot প্রসেস। এইটি একটি APK ফাইল যার মাধ্যমে আপনি আপনার মোবাইল রুট করতে পারবেন। তবে মজার কথা হল যে এই প্রসেসের মধ্যে আপনাকে কম্পিউটারের প্রয়োজন পড়বে না। তবে রুট করার জন্য আপনার মধ্যে কিছু সাহস, আর ভয় দূর করতে হবে মন থেকে। তাহলে আপনি করতে পারবেন।

যা যা করতে হবে আপনাকে –
  • প্রথমে APK ফাইলটি ডাউনলোড করুন
  • ইন্সটল করুন এবং ওপেন করুন।
  • Install SuperUser এ Tap করুন।
  • Boromir এ Tap করুন।
  • OK Tap করুন
  • Reboot করুন আপনার ফোনটি।
Reboot করার পর যদি মেনুতে যদি SuperSU App টি দেখতে পান তাহলে আপনার এই অ্যাপটি ইন্সটল করার প্রয়োজন হবে না। আর যদি না থাকে থাহলে এই অ্যাপটি আপনাকে ইন্সটল করতে হবে। তার পূর্বে আপনি Root Check pro software এর মাধ্যমে যাচাই করে নিতে পারবেন যে আপনার মোবাইল রুট হয়েছে কি না। পাশাপাশি এই সফট ইন্সটল করে রাখা ভাল তাই ইন্সটল করে রাখুন BusyBox।

    ডাউনলোড করুন এই অ্যাপ গুলো
  তো হয়ে গেল আপনার মোবাইল রুট। এইভাবে ৯০% মোবাইল রুট সম্ভব হয়েছে। কোন সমস্যা হোলে কমেন্ট করতে পারেন 

এখন ইন্সটল করুন কাস্টম রিকভারি

এখন রুট করা শেষ এখন ভাল লাগছে না স্টক রমে থাকতে। কাস্টম রোম দিব তাই এখন কি করবেন। আপনি যদি না জানেন কাস্টম রোম কি তাহলে কমেন্ট করবেন। কাস্টম রোম ইন্সটল করার জন্য আপনাকে কাস্টম রিকভারি ইন্সটল করতে হবে। তাহলে আপনি কাস্টম রোম ইন্সটল করতে পারবেন।
কাস্টম রিকভারি ইন্সটল করার জন্য আপনাকে এই APK ফাইলটি আপনার মোবাইলে ইন্সটল করতে হবে। অ্যাপটি হল MobileUncle Tools

যা যা করতে হবে আপনাকে –
  • MobileUncle Tools অ্যাপটি ডাউনলোড করুন
  • অ্যাপটি ইন্সটল করুন এবং ওপেন করুন। আপনার কাছে সুপার ইউজারের রিকুয়েস্ট আসবে Allow করুন।
  • রিকভারি আপডেট সিলেক্ট করুন।
  • আপনার মোবাইলের জন্য ডাউনলোড করা রিকভারি দেখাবে, সিলেক্ট করুন।
  • Ok Select করুন।
  • আপনার ফোন বন্ধ হয়ে যাবে এবং রিকভারি মোড অন হবে।

  বিশেষ দ্রষ্টব্য –
  • অনেক সময় দেখা যায় যে আপনার ডাউনলোড করা রিকভারি ফাইলটি কি ফরমেটে থাকবে আপনি জানেন না। তাই এখন যা বলছি তা ভাল করে বুঝে নিন। আপনি অনেক ডাউনলোড সোর্স থেকে ডাউনলোড করবেন। সেই খানে ফাইল গুলো .zip / .rar etc আকারে থাকতে পারেন। তবে এইটা আপনার মুল ফাইল নয়। আপনার মুল ফাইল হচ্ছে .img । তাই প্রথমে ডাউনলোড করা ফাইল যদি যিপ আকারে থাকে তাহলে তা আগে আনযিপ করে নিন। ESFile manager ব্যবহার করেন। এই ফাইল ম্যানেজারের মধ্যে যিপ ফাইল আনযিপ করার অপশন রয়েছে। এখন আনযিপ করে .img ফাইলটি আপনার  SD কার্ডের রাখুন কোন ফোল্ডারে রাখবেন না। তা না হলে মোবাইল আঙ্কেলে আপনার রিকভারি দেখাবে না।
  • আপনার মোবাইলের জন্য করা রিকভারি কাজ করবেন অন্য গুলো কাজ করবে না। যদি অন্য গুলো ব্যবহার করেন কিছু আসবে না। ভয় পাবেন না মোবাইল ব্রিক করবে না।
  • মোবাইল আঙ্কেল ওপেন করার সময় ইন্টারনেট অফ রাখবেন। তা না হলে নেট থেকে আপনার রিকভারি সার্চ করবে আপনার রাখা রিকভারি আপনি খুজে পাবেন না।
এগুলো করার পর আপনি আপনার মোবাইলে কাস্টম রিকভারি ইন্সটল করে ফেলেছেন।
রিকভারি নিয়ে একটু কথা বলি। আপনার রিকভারি ফাইলটি কে আমরা CWM (Clock Work Mood) , TWRP (Team Win Recovery Project) বলে থাকি। এখন প্রতিটা মোবাইলের জন্য আলাদা আলাদা রিকভারি প্রয়োজন হয়। সব রিকভারি সব মোবাইলে কাজ করে না বা সাপোর্ট করে না। তাই আপনার মোবাইলের জন্য কোন রিকভারি প্রয়োজন তা আপনাকে গুগলে সার্চ করে খুজে নিতে হবে বা আমাদের গ্রুপে পোস্ট করেন হেল করা হবে। তবে আপনার মোবাইলের জন্য কোন রিকভারি টি প্রয়োজন এই নিয়ে একটি পোস্ট হবে তাই এখন আমরা সেই বিষয় আলোচনা করছি না। পোস্ট করা হলে লিঙ্ক অ্যাড করা হবে।

ইন্সটল করুন আপনার মোবাইলে কাস্টম রোম

এখন আপনি আপনার মোবাইলে কাস্টম রোম ইন্সটল করতে চাচ্ছেন। কিন্তু কিভাবে তা আসলে বুঝতে পারছেন না। সমস্যা নেই আপনি করতে পারবেন

কাস্টম রোম ইন্সটল করার জন্য আপনাকে যা যা করত হবে –
    • রিকভারি মোডে প্রবেশ করুন।
    • কিভাবে প্রবেশ করবেন? আপনার মোবাইল বন্ধ করুন। ভলিউম আপ বাটন এবং পাওয়ার বাটন ধরে মোবাইল অন করুন।দেখবেন রিকভারিতে প্রবেশ করবে। তবে বলে রাখা ভাল যে এক এক মোবাইলে এক এক প্রসেস রিকভারিতে প্রবেশ করার। তাই কোন মোবাইলে কিভাবে প্রবেশ করবেন দেখে নিন –

১. Volume Down + Volume Up + Power button.
২. Volume Down + Power button.
৩. Volume Up + Power button.
৪. Volume Up + Home + Power button.
৫. Volume Up + Camera button.
৬. Home + Camera button.
৭. Home + Power button



  • ভলিউম বাটন উপরে নিচে ক্লিক করলে উপরে নিচে যেতে পারবেন। টাচ রিকভারি হলে ট্যাপ করুন।
  • Wipe data/factory reset ওপেন করুন। ইয়েস করুন। কিছুক্ষণ সময় লাগবে, অপেক্ষা করুন সম্পুর্ন হওয়া পর্যন্ত।
  • Wipe cache partition ওপেন করুন। ইয়েস করুন।
  • Advance ওপেন করুন। নতুন মেনু আসবে।
  • এখন wipe dalvik cache ওপেন করুন। ইয়েস করুন।
  • wipe battery stats ওপেন করুন। ইয়েস করুন।
  • ব্যাক বাটন ধরে আগের মেনুতে আসুন।
  • এখন install zip from sdcard ওপেন করুন
  • choose zip from sdcard ওপেন করুন।
  • এখন আপনার SD card এর ভেতর প্রবেশ করেছে রিকভারি। আপনার মোবাইলে আপনি যেই কাস্টম রোম ইন্সটল করতে চাচ্ছেন তা সিলেক্ট করুন। ওপেন করুন। ইয়েস দিয়ে ইন্সটল করুন।
  • ইন্সটল হয়ে গেলে অনেক সময় নিজে নিজে রিবুট নিবে। যদি না হয় মেনুয়েল ভাবে রিবুট করুন আপনার জন্য ভাল।
  • ইন্সটল করা কাস্টম রোম ওপেন হবে, কিছু সময় নিয়ে যেহেতু প্রথম বার। এখন কাস্টম রোমের মজা উপভোগ করুন।


বিশেষ দ্রষ্টব্য –
    • আপনার মোবাইলের জন্য কাস্টম রোম ডাউনলোড করে নিন নেট থেকে।
    • ডাউনলোড করে তা আপনি আপনার মোবাইলের SD কার্ডের রাখুন কোন ফোল্ডারে রাখতে চাইলে রাখতে রাখবেন। তবে কোন ফোল্ডারে না রাখা উত্তম।
    • অনেক সময় আপনার মোবাইলে কাস্টম রোম দিয়ে গিয়ে প্রবলেম হতে পারে, বা কাস্টম রোম দেওয়ার পর দেখতেছেন যে বুট লোগোতে আপনার মোবাইল আটকে আছে। এগুলো আসলে কাস্টমে প্রবলেম হবে এই ধরনের সমস্যা হতে পারে। তবে ভয় পাবেন না। ভিত হওয়ার কিছু নেই। আপনার রোমে প্রবলেম হয়েছে, মোবাইলে না। আপনার কাস্টম রিকভারি থেকে আপনি চাইলে নতুন করে নতুন কাস্টম রোম দিতে পারবেন অথবা আপনার স্টক রমের ব্যাকআপ থেকে রিকভার করতে পারবেন। কিভাবে ব্যাকআপ করবেন তা নিচে দেওয়া আছে।
    • মোবাইলে ৭০% + চার্জ রাখার চেস্টা করবেন।
    • কাস্টম রোম ইন্সটল করার পূর্বে যেখান থেকে আপনি ডাউনলোড করবেন সেইখানে কোন ইন্সট্রাকশান আছে কিনা তা ভাল করে খেয়াল করবেন। এক এক কাস্টম রমের জন্য এক এক রোম প্রসেস থাকতে পারে তাই দেখে নেওয়া ভাল।
    • সম্পুর্ন বিষয় গুলো ভাল করে আগে বুঝে নিবেন যদি আপনি নতুন হন।

এখন রাখুন রোম ব্যাকআপ আর সমস্যা হলে করুন রিষ্টর



হতাট কোন সমস্যা হবে, মোবাইল ব্রিক করলে, রোম ক্রাস করলে তখন আগের অবস্থাতে ফিরে যাবার জন্য রোম ব্যাকআপ করা লাগে। তাই এমন সমস্যা হলে আগের অবস্থাতে ফিরে যেতে হলে এই ব্যাকআপ রাখা জরুরি। আপনি চাইলে যে কোন রোম ব্যাকআপ করতে পারবেন এবং ব্যাকআপ করতে পারবেন একাধিক বার। তবে তা রাখার জন্য আপনার মেমরি কার্ডে জায়গা থাকতে হবে। আপনি চাইলে ব্যাকআপ করে অন্য কথায় সরিয়ে রাখতে পারেন যদি আপনার ভবিষ্যতে কাজে লাগে সেই জন্য। আপনার মেমরিতে ব্যাকআপ রাখার জন্য সর্বনিম্ম ১ গিবি জায়গা খালি রাখা উচিত। তবে ব্যাকআপ ফাইল সাইজ নির্ভর করে আপনার রোমের উপর। যদি বেশি অ্যাপ ইন্সটল থাকলে জায়গা বেশি খাবে। কম থাকলে কম খাবে।


এখন আমরা যেনে নেই কিভাবে রোম ব্যাকআপ করবেন – 
    • রিকভারি মোডে প্রবেশ করুন।
    • backup and restore ওপেন করুন।
    • backup এ tap করুন বা সিলেক্ট করুন।
    • ব্যাকআপ শুরু হবে, ৬-১০ মিনিট সময় লাগবে। শেষ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন।


হয়ে গেল আপনার রোম ব্যাকআপ। তবে পর্যাপ্ত পরিমান জায়গা না থাকলে আপনার রোম ব্যাকআপ হবে না।
এখন বলি কিভাবে রিষ্টর করবেন
    • রিকভারি মোডে প্রবেশ করুন।
    • backup and restore ওপেন করুন।
    • restore এ tap করুন বা সিলেক্ট করুন।
    • ব্যাকআপ শুরু হবে, ৬-১০ মিনিট সময় লাগবে। শেষ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন।

হয়ে গেল আপনার মোবাইল রিষ্টর।
আজকে আমি অনেক কিছু বলে ফেললাম। তবে আসা করছি এই লেখা গুলোর মাধ্যমে আপনার অনেক সমস্যা দূর হয়ে যাবে। কোন ভুল ত্রুটি থাকলে ক্ষমা করবেন। সমস্যা থাকে কমেন্ট করবেন। আমি চেস্টা করব আপনাদের সমস্যা সমাধান করার। বিস্তারিত কোন সমস্যা থাকলে আমার ফেসবুকে নকড করুন,চেস্টা করব সমাধান করার।আমাকে fb তে  পাইতেএইখানে ক্লিক করুন
আবার আসব নতুন কোন পোস্ট নিয়ে। তত দিন ভাল থাকবেন,সুন্দর থাকবেন এই আশাই রইল<<<।

এবার ভিডিও ইডিট এবং কাস্টমাইজ করুন আপনার Android মোবাইল দিয়ে

By on অক্টোবর ২০, ২০১৫
কেমন আছেন সবাই? নিশ্চই ভালো আছেন। আমারও এটাই চাওয়া যে আপনারা ভালো থাকবেন। এই প্রযুক্তির প্লাটফর্মে কি কেউ খারাপ থাকতে পারে? এখানে ঘুরা ঘুরি করলেই প্রযুক্তি বিষয়ে নানা জ্ঞান অর্জন করা যায়। আমার জ্ঞান তেমন ভালো না হলেও চেষ্টা করি আপনাদের সাথে ভালো কিছু শেয়ার করার। তবে আপনাদেরকে আবারও এই প্রযুক্তির প্লাটফর্মে স্বাগতম জানাচ্ছি। আর বেশি কথা বলবনা চলুন কাজের কথায় আসি।
আজ আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করব দারুণ একটি অ্যাপ। এই এপটি দিয়ে আপনি খুব সহজে আপনার এন্ড্রয়েড মোবাইল দিয়ে ভিডি-ও ইডিট আরও অনেক কিছু করতে পারবেন। চলুন এক নজরে দেখে নেই এটা দিয়ে কি কি করতে পারবে।
১. একসাথে অনেক ভিডিও নিয়ে কাজ করতে পারবেন এবং খুব সহজেই ভিডিও থেকে ইমেজ বানাতে পারবেন।
২. ভিডিও বেকগ্রাউন্ডে যে কুন মিউসিক সেট করতে পারবেন আপনি চাইলে নিজের ভয়েস এড করতে পারবেন
৩. এটা দিয়ে কাজ করা খুব সহজ
৪. খুব সুন্দরভাবে ভিডিও গুলো কাটতে পারবেন।
৫. ভিডিও থেকে আপনি আপনার ওয়ালপেপার বানাতে পারবেন।

এই এপটি এর আগে কেউ আপনাদের সাথে শেয়ার করেছে কিনা জানিনা। তবে আমি প্রথম শেয়ার করছি। কারো প্রয়োজন মনে হলে ডাউনলোড করতে পারেন।

Software Name: Video Fx:Video Maker&Editor.Apk
প্লে-ষ্টোর থেকে ডাউনলোড করতেএখানে ক্লিক করুন
প্লে-ষ্টোর থেকে ডাউনলোড করতে কোন সমস্যা হলে নিচে থেকে ডাউনলোড করতে পারেন।
download:click here
আশা করি Softwareটি সবার ভালো লাগবে। আপনাদের যদি কারো পছন্দের গেম,এপ থেকে থাকে রিকোয়েষ্ট করতে পারেন আমি যথা সম্ভব আপনাদের সাথে শেয়ার করার চেষ্টা করব। আপনারা আমার জন্য দোয়া করবেন।ভালো থাকবেন সবাই। ধন্যবাদ সাথেই থাকবেন ...।