Technobd CsE: Computer This is all about technology,Letest techology update are publish here.new and fresh update news are publish here,free internet for android,pc problem,it,ict,fb hack,how to hack, haking tips,learning progamming,games,windows,spesial download file!

banarad

Computer লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
Computer লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বুধবার, ১৫ নভেম্বর, ২০১৭

ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম ‘উবুন্টু’

By on নভেম্বর ১৫, ২০১৭

                                            ‘উবুন্টু’



বর্তমান সময়ে সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং ক্রমবর্ধমান অপারেটিং সিস্টেম (ওএস) হচ্ছে উবুন্টু। উবুন্টু শব্দটি এসেছে একটি আফ্রিকান ধারণা থেকে যার অর্থ অনুবাদ করলে দাড়ায় অনেকটা অন্যের জন্য মনুষ্যত্ব এরকম। উবুন্টু হচ্ছে লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেমের একটি  সংস্করণ। একটি অপারেটিং সিস্টেম হচ্ছে সেই সফটওয়্যার যা আপনার কম্পিউটারকে চালায়।

মুক্ত অপারেটিং সিস্টেম লিনাক্সের জনপ্রিয় ডিস্ট্রো উবুন্টুর পাশাপাশি রয়েছে এডুবুন্টু, গবুন্টু, কুবুন্টু, লুবুন্টু, উবুন্টু মোবাইল (মোবাইল সংস্করন) ইত্যাদি সংষ্করনও। উবুন্টু ডেস্কটপ ব্যবহারকারীদের জন্য তৈরি করা হলেও এর রয়েছে নেটবুক ও সার্ভার সংস্করন। উবুন্টু হচ্ছে সম্পূর্ণ আধুনিক একটি অপারেটিং সিস্টেম, যাতে উইন্ডোজ বা ম্যাক অপারেটিং সিস্টেমে যা পাওয়া যায় তার সবকিছুই রয়েছে। এটি সবকিছুকে সহজভাবে উপস্থাপন করে এবং আধুনিকতম ফিচার প্রদান করে। এ অপারেটিং সিস্টেমে সংযুক্ত রয়েছে ওয়েবসাইট দেখার জনপ্রিয় সফটওয়্যার মজিলা ফায়ারফক্স, তাৎক্ষনিক বার্তা আদান-প্রদানের (চ্যাট) জন্য রয়েছে পিজিন ম্যাসেঞ্জার যা ইয়াহু, জিমেইল, এআইএম, এমএসএন-এর মত প্রায় সকল সার্ভার সাপোর্ট করে। লেখালেখি করা, স্প্রেডশীট, প্রেজেন্টেশনের জন্য রয়েছে ওপেন অফিস ডট অর্গ নামক সফটওয়্যার, ছবি সম্পাদনার জন্য রয়েছে জিআইএমপি সফটওয়্যার, গান শোনা ও ভিডিও গান দেখার জন্য রয়েছে রিদমবক্স, ভিএলসি প্লেয়ার ইত্যাদি। এই সকল প্রোগ্রামগুলো উবুন্টুর সাধারণ ইন্সটলেশনের সাথেই বিনামূল্যে পাওয়া যায়। পাশাপাশি আছে কোন সফটওয়্যার প্রয়োজন হলে সেটি ইনস্টল করার ব্যবস্থা। উবুন্টুর হার্ডওয়্যার সাপোর্ট খুবই চমৎকার। প্রাত্যহিক জীবনের সাউন্ডকার্ড, গ্রাফিক্সকার্ড, প্রিন্টার, ওয়্যারলেস, ক্যামেরা, ইউএসবি ড্রাইভ, আইপডসহ প্রায় সকল হার্ডওয়্যার সাপোর্ট করে উবুন্টুতে। উবুন্টু পুরাতন হার্ডওয়্যারেও ভাল কাজ করে। প্রায় সকল লিনাক্সের সংস্করণের মত, উবুন্টুও বিনামূল্যে পাওয়া যায়। উবুন্টু সম্পর্কে     বিস্তারিত জানা ও ডাউনলোড করা যাবে www.ubuntu.com ঠিকানা থেকে।

উবুন্টুর নানা ধরনের বৈচিত্রতা সম্ভব হয়েছে মুক্ত সফটওয়্যারের স্বাধীনতার কারণে। এখানে যে কেউ লিনাক্সের একটি সোর্স কোড নিয়ে, তাতে পরিবর্তন করে নিজের একটি সংস্করণ তৈরি করতে পারে। কোন কোন সংস্করণকে বাণিজ্যিকভাবে অর্থায়ন করা হয়, বাকীগুলো গঠিত হয় সারা বিশ্বে ছড়িয়ে থাকা লিনাক্স ব্যবহারকারীদের বিশাল কমিউনিটির সুসংঘটিত একদল মানুষের প্রচেষ্টার মাধ্যমে। উবুন্টু গঠিত হয়েছে এই দুটি মাধ্যম দ্বারাই এটিকে অর্থায়ন করছে ক্যানোনিকাল নামক দক্ষিণ আফ্রিকান একটি প্রতিষ্ঠান যার গঠন হয়েছে ২০০৪ সালে। কিন্তু উবুন্টু বিশাল কমিউনিটির স্বেচ্ছাশ্রমের সুবিধাও নিয়ে থাকে। উবুন্টু গঠিত হয়েছে ডেবিয়ান (www.debian.org) নামক আরেকটি কমিউনিটি নির্ভর লিনাক্সের উপর ভিত্তি করে। যে বিষয়টি উবুন্টু উপস্থাপন করে তা হচ্ছে স্বাধীনতা, ব্যবহার এবং শেয়ারের স্বাধীনতা, এটি দিয়ে যে কোন কিছু করার স্বাধীনতা এবং শেখার স্বাধীনতা।

উবুন্টুর সুবিধা সমুহঃ

সাধারণ ভাবে উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম কিংবা ম্যাকিন্টোশ অপারেটিং সিস্টেমে যা পাওয়া যায় তার মধ্যে সব ধরনের সুবিধাই রয়েছে উবুন্টুতে। উবুন্টু সবকিছুকে সহজভাবে উপস্থাপন করে, পাশাপাশি থাকে আধুনিকতম ফিচার সুবিধা।  ওয়েব ব্রাউজিং এর জন্য রয়েছে মজিলা ফায়ারফক্স। বিশ্বের জনপ্রিয় ব্রাউজারের তালিকায় ফায়ারফক্সের অবস্থান বেশ শক্ত। ফায়ারফক্সে প্রয়োজন অনুযায়ী অ্যাড-অন্স যোগ করার অপশন থাকায় নিজের প্রয়োজনীয় সবকিছুই করা সম্ভব হয়। ইন্সট্যান্ট ম্যাসেজিংয়ের জন্য রয়েছে পিজিন (Pidgin) যা ইয়াহু, জিমেইল, এআইএম, এমএসএন-এর মত প্রায় সকল সার্ভার সাপোর্ট করে। লেখালেখি করা, স্প্রেডশীট, প্রেজেন্টেশনের জন্য রয়েছে ওপেন অফিস ডট অর্গ (OpenOffice.org) নামক সফটওয়্যার, যা উইন্ডোজের মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের মতোই। এতে করা যায় সব ধরনের অফিসিয়াল কাজই। ছবি সম্পাদনার জন্য রয়েছে জিম্প (GIMP)। এছাড়া গান শোনার জন্য আছে রিদম বক্স (RhythmBox) এবং ভিডিও দেখানোর জন্য আছে টোটেম, ভিএলসি  (Totem, VLC) প্লেয়ার। এ  সকল প্রোগ্রামগুলো উবুন্টুর সাধারণ ইন্সটলেশনের সাথেই বিনামূল্যে পাওয়া যায়। এর পাশাপাশি ইন্টারনেট সংযোগ থাকলে নিজের প্রয়োজনীয় যে কোন মুক্ত সফটওয়্যার নামিয়েও নেয়ার সুযোগ রয়েছে।
উবুন্টুর হার্ডওয়্যার সাপোর্ট খুবই চমৎকার। সাধারণত আমাদের নিত্য যে ধরনের কাজের প্রয়োজন হয় তার সবই করা সম্ভব উবুন্টুর মাধ্যমে। এছাড়া উবুন্টুতে ইউএসবি মেমোরি ডিভাইস, ক্যামেরা, আইপড, স্মার্টফোনসহ অসংখ্য প্রয়োজনীয় ডিভাইস ব্যবহার করার ক্ষেত্রে সিডির প্রয়োজন হয় না। প্র্যাক্টিক্যালি উবুন্টু ইন্সটল করার পর এই ডিভাইসগুলো সরাসরি ব্যবহার উপযোগী হয়ে উঠে। বর্তমান সময়ের উন্নত হার্ডওয়্যারের পাশাপাশি উবুন্টু পুরোনো সংস্করনেও ভালো কাজ করে। প্রায় সকল লিনাক্সের সংস্করণের মত, উবুন্টুও বিনামূল্যে পাওয়া যায়। রিলিজের পর সাধারণত ১৮ মাস পর্যন্ত এর আপডেটগুলোও বিনামূল্যে পাওয়া যায়।

শনিবার, ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬

গুগল ক্রমে এক্সটেনশন এর ব্যবহার

By on ফেব্রুয়ারি ০৬, ২০১৬
                                           গুগল ক্রমে   এক্সটেনশন এর ব্যবহার 




 বর্তমানে YouTube এখনকার সময়ে অনলাইনের সবথেকে বড় ভিডিও সার্চ ইঞ্জিন। অন্যান্য সাইটের মতো এই সাইটিও বেঁচে আছে বিভিন্ন বিজ্ঞাপনের উপর।
ভিজিটরদের কাছে বিজ্ঞাপনের মতো বিরক্তিকর কিছুই নাই। টাকা খরচ করে পছন্দের ভিডিও দেখতে এসে তার পরিবর্তে যদি এমন অহেতুক বিজ্ঞাপন দেখতে হয় তাহলে তার থেকে বিরক্তিকর ব্যাপার আর কি থাকতে পারে বলুন। আর তাছাড়া সব ধরনের বিজ্ঞাপন নিরাপদ নয়। কিছু কিছু ক্ষেত্রে আবার দর্শকদের বিজ্ঞাপন দেখতে বাধ্যও করা হয়। আজ আপনাদের দেবো এ সকল বিজ্ঞাপনের হাত থেকে বাঁচার সব থেকে সহজতম উপায়।
সব থেকে আগে আপনার গুগোল ক্রোমটি ওপেন করুন। কেননা যে এক্সটেনশনটি আপনার এই এ্যাডগুলোকে আটকাবে সেটা শুধু মাত্র ক্রোমেই কাজ করবে। এবার এই লিংকে  প্রবেশ করে এক্সটেনশনটি আপনার ব্রাউজারে ইন্সটল করে নিন। ব্যস! বাকিটা ও নিজেই করে দেবে। আপনাকে কিছু করতে হবে না। ও এক্সটেনশনটির নাম >>>“Adblock for Youtube”.
ধরুন, একটা সাইট ঘুরছেন। তার ফন্ট আপনার পছন্দ হয়ে গেল, তখন কিভাবে সেটাকে আপনার সাইটে ব্যবহার করবেন ? যে কোনো ওয়েব ডিজাইনারের সব থেকে বড় সমস্যা হলো ওয়েব ফন্টসতবে সমস্যাটি কিন্তু মোটেই দীর্ঘ স্থায়ী নয়। অন্যান্য সমস্যার মতো এটারও একটা সহজ ও সুন্দর সমাধান আছে। এখন আপনাদের সে সমাধানটিই দেব।
পূর্বতন প্রক্রিয়ার মতো আপনার গুগোল ক্রোম ওপেন করুন। এবার এই লিংক থেকে>>> ‘What Font’ নামে এই এক্সটেনশনটি ডাউনলোড করে নিন। আপনার ফন্ট সমস্যা সমাধান হয়ে যাবে।
What Font গুগোল ক্রোমের সব থেকে দরকারি একটা ফন্ট। এখানে আপনি কয়েক হাজারের বেশি ফন্ট ফ্রীতে পেয়ে যাবেন। এটার প্রধান উপযোগীতা একটি হলো- এক এটা সহজে ব্যবহার করা যায়। পাশাপাশি ওয়েব ডিজাইনের ক্ষেত্রে যে ধরণের ফন্ট সমস্যা দেখা দেয় তারও সমাধান হয়ে যাচ্ছে। এই এক্সটেনশনটি এখন ক্রোমের সব থেকে জনপ্রিয় এক্সটেনশন।
   ব্রউজারে ভি পি এন এর প্রয়োজন হলে ব্রাউজেক (Browsec) এই এক্সটেনশন অ্যাড করতে পারেন।

ভাল থকবেন সবাই .সাথেই থাকবেন ভাল লাগলে কমেন্ট করতে ভুল্বেন না, প্রয়োজনে ফেসবুক



Recomanded Article :

Internet Download Manager Universal Crack is Here ! [IDM 6.25 Build 10 UPDATED]

Internet Download Manager Universal Crack
Internet Download Manager aka IDM developers release a new build of  their well-known Download Accelerator; Internet Download Manager  regularly. So everybody who uses pirated versions get so pissed off that they have to find a new version of crack every time when an IDM update comes. So we made a really awesome fix for that
An Universal Web Crack. A new era in scene world. Web crack is a new concept of cracks that download and update crack content as the target program gets updated.
POSTED BY :TANBIR HASAN

সোমবার, ২৩ নভেম্বর, ২০১৫

পিসি প্রোগ্রাম হ্যাং সলুশন

By on নভেম্বর ২৩, ২০১৫
                                                    পিসি প্রোগ্রাম হ্যাং সলুশন


সবাইকে সালাম ও শুভেচ্ছা জানিয়ে শুরু করছি আজকের টিউন । আমরা যখন কম্পিউটার চালাই তখন অনেক সময় দেখা যায় যে কোন একটা প্রোগ্রাম হ্যাং হয়ে গেল। এই সমস্যা হতে উদ্ধার হওয়ার জন্য আমরা টাস্ক ম্যানেজারের কাছে সাহায্য চাই। তাই আজ আমি আপনাদের সাথে এমন একটা টিপস শেয়ার করব যেটার সাহায্যে এক চাপেই বন্ধ করতে পারবেন আপনার হ্যাং হয়ে যাওয়া প্রোগ্রাম। তাহলে চলুন দেখি প্রথমে ডেস্কটপে মাউসের রাইট ক্লিক করুন এবং new তে গিয়ে shortcut সিলেক্ট করুন তাহলে আপনার শর্টকাট এর লোকেশন জানতে চাইবে। সেখানে নিচের লেখাটি কপি করে পেস্ট করে নেক্সট বাটনে ক্লিক করুন। taskkill.exe /f /fi “status eq not responding” শর্টকাটটির পছন্দমত একটি নাম দিন এবং ফিনিশ বাটনে ক্লিক করুন। দেখবেন আপনার দেওয়া নামে একটা শর্টকাট তৈরী হয়েছে আপনার ডেস্কটপে এখন থেকে কোন প্রোগ্রাম হ্যাং হলে শুধু এখানে একবার ডাবল ক্লিক করুন। ব্যাস। সবাইকে ধন্যবাদ। ভালো লাগলে কমেন্ট করতে ভুলবেন না ।
আর ফেসবুকে লাইক দিতে ক্লিক করুন

বুধবার, ১৮ নভেম্বর, ২০১৫

ইন্টারনেট স্পিড বাড়ান খুব সহজেই

By on নভেম্বর ১৮, ২০১৫


                                  সফটওয়্যার ছাড়াই ইন্টারনেটের স্পিড বাড়ান



সফটওয়্যার ছাড়াই ইন্টারনেটের স্পিড বাড়ান> আসাআসসালামুয়ালাইকুম ,কেমন আছেন সবাই !! আশা করি ভাল আছেন ।আজ আপনাদের জন্য সুন্দর একটা পোষ্ট নিয়ে হাজির হলাম আশা করি আপনাদের ভাল লাগবে। আজ আমার পোস্ট হল সফটওয়্যার ছাড়াই ইন্টারনেটের স্পিড বাড়ান নিয়ে। আশা করি আপনাদের উপকারে আসবে। আর কথা নয় , শুরু করা যাক তাহলে …………… আমরা ইন্টারনেটের স্পিড বাড়ানোর জন্য অনেকেই অনেক সফটওয়্যার ব্যবহার করে থাকি। আমি এখন আপনাদের যে ট্রি্পস টি দিব তা হল সফটওয়্যার ছাড়াই ইন্টারনেটের স্পিড বাড়াতে পারবেন। তাহলে আর কথা না বাড়িয়ে কাজে চলে যায়। … ছোট্ট একটা ট্রিক্স অ্যাপ্লাই করে আমরা ইন্টারনেটের স্পিড ২০% কে বাড়িয়ে ১০০% করবো। ■যেভাবে করবেনঃ ক) স্টার্ট মেনু থেকে Run এ ক্লিক করুন। gpedit.msc টাইপ করে এন্টার দিন। খ) তারপর group policy editor ওপেন হবে. এখন, Local Computer Policy >> Computer Configuration >> Administrative Templates >>Network >> QOS Packet Scheduler >> Limit Reservable Bandwidth এ যান । গ) Limit Reservable bandwidth এ ডাবল ক্লিক করুন. এটা not configure করা থাকবে। এখন সিলেক্ট করুন এবং ENABLE করুন, এখন Bandwidth limit % এ গিয়ে ০ লিখে দিন। OK করে বের হয়ে আসুন। এখন তাহলে আর আপনার কম্পিউটারে আর ২০%স্পিড রিসার্ভ করা থাকবেনা। চেষ্টা করুন, ইনশাআল্লাহ হয়ে যাবে। ইতিপূর্বে বিভিন্ন সফটওয়্যার দ্বারা অনেকে হয়তো ইন্টারনেট স্পিড বাড়িয়েছেন। কিন্তু এতে ইন্টারনেট স্পিড বাড়লেও পিসি কিছুটা স্লো হয়ে যায়। কিন্ত আকন স্লো হবে না। ► মনে রাখবেন পিসিতে যত কম সফটওয়্যার ইন্সটল করবেন পিসির উইন্ডোজ তত ভাল Performance দিবে। কষ্ট করে পড়ার জন্য ধন্যবাদ । ভালো লাগলে কমেন্ট করবেন। আল্লাহ্‌ হাফেয।

মঙ্গলবার, ১৭ নভেম্বর, ২০১৫

অবশেষে বন্ধ হচ্ছে ক্যান্ডি ক্রাশের আমন্ত্রণ

By on নভেম্বর ১৭, ২০১৫

              অবশেষে বন্ধ হচ্ছে ক্যান্ডি ক্রাশের আমন্ত্রণ





ফেসবুকে ক্যান্ডি ক্রাশ খেলার আমন্ত্রণে ত্যক্ত-বিরক্ত অনেকে? সুখবর হচ্ছে—এটি বন্ধ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন মার্ক জাকারবার্গ। আজ ভারতে আইআইটি দিল্লির টাউনহলে ফেসবুক ব্যবহারকারীদের ক্যান্ডি ক্রাশের আমন্ত্রণ বন্ধ করার প্রতিশ্রুতি দেন ফেসবুকের প্রধান নির্বাহী।
ক্যান্ডি ক্রাশ হচ্ছে ফেসবুক প্ল্যাটফর্মে জনপ্রিয় একটি গেম। গেমটির নির্মাতা কিং ডিজিটাল এন্টারটেইনমেন্ট। বিনা মূল্যের এ গেমটিতে বিভিন্ন পর্যায়ে ক্যান্ডি মিলিয়ে তা ভেঙে বিভিন্ন স্তর পার হতে হয়। নির্দিষ্ট কয়েকটি স্তর পার হতে গিয়ে নতুন বন্ধুদের আমন্ত্রণ জানাতে হয় অথবা কয়েক দিন পর্যন্ত অপেক্ষায় থাকতে হয়। আবার বন্ধুরা গেমটি বেশিক্ষণ খেলার জন্য লাইফ পাঠাতে পারেন। এ গেম যাঁরা বেশি খেলেন তাঁরা প্রায়ই ফেসবুকের বন্ধুদের কাছে আমন্ত্রণ পাঠান। যা নোটিফিকেশন আকারে দেখায় ফেসবুক। যাঁরা এ গেমটি পছন্দ করেন না, তাঁদের কাছে চরম বিরক্তিকর বিষয় এটি। বিশ্বের সবচেয়ে বিরক্তিকর বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে ক্যান্ডি ক্রাশ খেলার আমন্ত্রণ। 
আজ ভারতের টাউনহলে এক শিক্ষার্থীর প্রশ্নের জবাবে জাকারবার্গ বলেছেন, ক্যান্ডি ক্রাশের আমন্ত্রণ বন্ধ করার জন্য কাজ চলছে। তবে কবে ও কখন এ পরিবর্তন আসবে সে বিষয়ে বিস্তারিত জানাননি তিনি। গেমটির নির্মাতা কিংয়ের পক্ষ থেকেও কোনো মন্তব্য করা হয়নি।



Recomanded Article :

Clash of Clans Unlimited Mod/Hack v7.200.19[v 0.4] APK! [January UPDATE]

Clash of Clans Hack Unlimited! No Ban! PvP! Clans Introduced!
We bring you the Mod/Hack of Clash of Clans, currently,  the most trending game. Tested many times, for stability, this mod is surely going to enhance your level of gaming! Attack other players, and loot their resources. This is a perfect mirror of official server, except that you get everything Unlimited!

POSTED BY :TANBIR HASAN


কম্পিউটারের গতি বাড়াতে ডিস্ক ডিফ্রাগমেনটেশন

By on নভেম্বর ১৭, ২০১৫

 

          কম্পিউটারের গতি বাড়াতে ডিস্ক ডিফ্রাগমেনটেশন






কম্পিউটারের গতি বাড়াতে চাইলে ডিস্ক ডিফ্রাগমেনটেশন করতে পারেন। ডিফ্রাগমেনটেশন এমন একটি বৈশিষ্ট্য, যা আপনার কম্পিউটারের অগোছালো ফাইলগুলোকে একত্র করে কম্পিউটারের গতি বাড়াতে সাহায্য করে। যখন হার্ডডিস্ক ড্রাইভে কোনো তথ্য বারবার সংরক্ষণ করা হয়, তখন তথ্যগুলো ছোট ছোট অংশে বিভক্ত হয়ে আপনার ড্রাইভের বিভিন্ন অংশে জমা হয়। এতে সেই বিচ্ছিন্ন ফাইলগুলোকে খুঁজে বের করে কাজ করাতে প্রসেসরের বেশি সময় লাগে। কিন্তু ডিফ্রাগমেনটেশন সুবিধাটি আপনার ছোট ছোট তথ্যগুলোর মাঝের ফাঁকা অংশগুলো দূর করে এবং সব তথ্য একত্র করে হার্ডডিস্কের মাঝামাঝি জায়গায় নিয়ে আসে। এতে আপনার হার্ডডিস্ক অনেক দ্রুত কাজ করে এবং আপনার কম্পিউটারের গতি বাড়ায়। এতে কম্পিউটার চালু করতে সময় কম লাগে। এই কাজটি প্রতি মাসে অন্তত একবার করা উচিত এতে আপনার কম্পিউটারের কার্যক্ষমতা বাড়বে।
উইন্ডোজ সাতে কাজটি যেভাবে করবেন: প্রথমে স্টার্ট মেন্যুতে ক্লিক করে All Programs নির্বাচন করুন। তারপর Accessories-এ ক্লিক করে System Tools থেকে Disk Defragmenter নির্বাচন করুন। এরপর ডিস্ক ডিফ্রাগমেনটার উইন্ডো এলে যেকোনো একটি ড্রাইভ নির্বাচন করে Analyze disk বাটনে ক্লিক করুন। এরপর Defragment disk বাটনে ক্লিক করে অপেক্ষা করুন। কাজটি সম্পূর্ণ হতে কয়েক মিনিট থেকে কয়েক ঘণ্টা সময় লাগতে পারে। এটা নির্ভর করে হার্ডডিস্কের জায়গার ওপর। আপনি তখনই ডিফ্রাগমেনটেশন করবেন, যখন আপনার নির্দিষ্ট কোনো ড্রাইভ ১০ শতাংশের ওপরে ফ্রাগমেন্টেড অবস্থায় থাকবে।
উইন্ডোজ ৮, ৮.১ ও ১০: উইন্ডোজ ৮, ৮.১ ও ১০ অপারেটিং সিস্টেমে ডিফ্রাগমেনটেশন সুবিধাটি পেছনে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজে করে। তাই এই পদ্ধতি অবলম্বন না করলেও চলবে। আপনি চাইলে কাজটি নিজে নিজে করতে পারেন। প্রথমে Windows key + Q চেপে সার্চে ঢুকুন। এরপর ওপরে ডান পাশে ফাঁকা ঘরে Defragment লিখে সার্চ করলে Defragment and optimize your drives দেখতে পাবেন। এখন এতে ক্লিক করুন। এরপর ডিস্ক ডিফ্রাগমেনটার উইন্ডো এলে যেকোনো একটি ড্রাইভ নির্বাচন করে Analyze disk-এ ক্লিক করুন। তারপর Defragment disk বাটনে ক্লিক করে অপেক্ষা করুন। কাজটি সম্পূর্ণ হলে বেরিয়ে আসুন।

শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০১৫

কম্পিউটারের অপ্রয়োজনীয় ফাইল মুছুন এক ক্লিকে

By on অক্টোবর ৩০, ২০১৫
আসসালামুয়ালাইকুম, কেমন আছেন সবাই??

আশা করি ভালো আছেন ,আজ আপনাদের জন্য সুন্দর একটা পোস্ট নিয়ে হাজির হোলাম আশা করি আপনাদের অনেক উপকারে আসবে,।

রাতদিন কম্পিউটারে নানা কাজ করা হয়। প্রতিটি কাজের অস্থায়ী কিছু ফাইল তৈরি হয়ে যায়। আর সেগুলো জমা হতে থাকে হার্ডডিস্ক ড্রাইভে।উইন্ডোজ ফোল্ডারের মধ্যে %temp%, temp, recent,  Prefetch, ping,treeনামের সাব ফোল্ডারে এসব জমতে থাকে। এসব ফাইল যত ভারি হয় তত কম্পিউটারের গতি ধীর হতে থাকে। গতি ঠিক রাখতে আলাদাভাবে সেসব ফোল্ডারে গিয়ে অপ্রয়োজনীয় ফাইল মুছে (ডিলিট) ফেলতে হয়।


তবে চাইলেই মুছে ফেলার কাজগুলো আরও সহজে করা যায়।এজন্য নোটপ্যাডে একটা ব্যাচ (*.bat) ফাইল বানাতে হবে।নিচের সংকেতগুলো নোটপ্যাডে হুবহু লিখে tempcleaner.bat নামে সংরক্ষণ (সেভ) করুন। তৈরি হওয়া ফাইলে দুই ক্লিক করলেই সহজেই অপ্রয়োজনীয় সব ফাইল মুছে ফেলা যাবে।
cd/
title Temporary File Remover By Muyin Uddin
echo Delete all Temporary Files
%SystemRoot%/explorer.exe %temp%/
pause
del %temp%.*
pause
%SystemRoot%/explorer.exe C:/Windows/prefetch/
pause
del C:/Windows/prefetch.*
pause
C:
cd %TEMP%
rmdir /S /Q %TEMP%
cd C:/Windows/Temp
rmdir /S /Q C:/Windows/Temp
CD C:/Windows/Prefetch
rmdir /S /Q C:/Windows/Prefetch
cd %TEMP%
cd..
cd..
cd Recent
del /s /q *.*
চাইলেই এই সংকেতগুলোকে এক্সিকিউটেবল ফাইলে রূপান্তর করা যাবে ব্যাট টু ইএক্সই সফটওয়্যার দিয়ে।
মানুয়ালি আপনি যদি temp file  ক্লিন করতে চান তাহলে Run এ গিয়ে Temp,Prefetch,recent ফোল্ডার এর ফাইল গুলো ডিলেট করুন।
তবে আপনি চাইলে এর বিকল্প হিসেবে Ccleaner সফটওয়্যার টা ব্যবহার করতে পারেন।তবে এই সফটওয়্যারের অনেক ফিচার রয়েছে
আজ এই টুকুই ভালো লাগলে কমেন্ট করতে ভুবেন না  ,
ধন্যবাদ   
#posted _by_mti_shohag

সোমবার, ১৯ অক্টোবর, ২০১৫

কম্পিউটার,লেপটপ….. কিনবেন ভাবছেন?তাহলে দেখুন কোন কনফিগারেশন ভালো...

By on অক্টোবর ১৯, ২০১৫
"আসসালামু আলাইকুম!!! কেমন আছেন সবাই? আশা করি ভালই আছেন সবাই।   আজকে আপনাদের জন্য সুন্দর একটা পোষ্ট নিয়ে হাজির হোলাম 
আশা করি এইটা দাড়া আপনারা অনেক উপক্রিত হবেন।

বর্তমান সময়ের সাথে তালে তাল মিলিয়ে চলতে গেলে নিজের একটা স্মার্টফোন ও কম্পিউটার লাগে এটাই সাভাবিক।


তো আপনি একটা দোকানে গিয়ে বললেন আমাকে এই কনফিগারেশনের একটা ডেক্সটপ বা লেপটপ দেন। তো দোকানদার আপনার পিসি টাকে আপনার কাছে দিয়ে বলল টাকা টা দিতে। এখন আমার কথা হল আপনি কিভাবে নিশ্চিত হবেন যে ওখানে আপনি যেভাবে চেয়েছেন ওনি ঠিক সেভাবে আপনার পিসি বাধাই করে দিল কিনা।


বা কিনে এনেছেন মেইন বোর্ডের ডিস্ক হারিয়ে ফেলেছেন। এখন ওই মডেলের ডিস্কটা কিভাবে পাবেন?


আমি আজকে আপনাদের ৩টি ধাপে শিখাব কিভাবে কনফিগারেশ, Info জানতে হয়।

চিত্র :-১
শুরুতে চিত্র ১ এ দেখানো MY COMPUTER এর iCON এ মাওসের Right বাটনে কিক করে Properties এ জান।

                                       এবার দেখুন তো basic Info দেখাচ্ছে কিনা?



চিত্রঃ ২

২য় ধাপ
এই ধাপে আপনি পাবেন অনেক বিস্তারিত তাহলে শুরু করা যাক।

প্রথমে আপনার কিবোর্ডের Start + R চেপে Run কমান্ড বক্স আনুন। দেখুন নিচের চিত্রঃ ০৩ এর মত একটা ডায়লগ বক্স এসেছে।
চিত্রঃ৩

চিত্র ০৩ এর লাল দাগ দেয়া অংশে চিত্রঃ০৪ এর মত করে লিখুন dxdiag এরং ok করুন বা Enter চাপুন।
                                        
চিত্রঃ৪

একটু সময় নিবে এবার প্রয় ৩০ সেকেন্ডের মতন। কারন আপনার পিসিটাকে সে স্কেন করতেছে। যাক এখন আপনার কাছে একটা ডায়লগ বক্স আসবে। ওখানে আপনি YES চাপবেন। তাহলে চিত্রঃ০৫ এর মতন করে তথ্য নিয়ে একটি TAB হাজির হবে এবার আপনার প্রয়োজন মত ঘুরে ফিরে দেখুন। আমাদের ২য় ধাপ শেষ।
                         
                                                  চিত্রঃ০৫
                                                          ৩য় / শেষ ধাপ

এই ধাপে আমরা বিপুল পরিমানে তথ্য বা Info পাব। এই ধাপের পাওয়া তথ্য দিয়েই আমরা হারিয়ে যাওয়া Driver Softwareডাউনলোড করে নিতে পারি।




চিত্রঃ ০৬

চিত্র ০৬ এর লাল দাগ দেয়া অংশে চিত্রঃ০৭ এর মত করে লিখুন msinfo32 এরং ok করুন বা Enter চাপুন।
চিত্রঃ০৭

একটু অপেক্ষা করুন দেখুন আপনার সামনে কম্পিউটারের বিপুল পরিমান তথ্যের একটি Tab (এটাকে একটা ফাইল ও ধরা যায়) চলে এসেছে ঠিক চিত্রঃ ০৮ এর মতন। দেখুন শুরুতেই এখানে অনেক তথ্য দেখাচ্ছে, এটা শুধু System Summary বা সিস্টেম সারাংশ। এখন আপনি ডানের বার থেকে কেটাগরি সিলেক্ট করে তার সাব কেটাগরিতে গিয়ে ফাইল খুলে খুলে তথ্য গুলি দেখতে পারেন।
চিত্রঃ০৮

একটু অপেক্ষা করুন দেখুন আপনার সামনে কম্পিউটারের বিপুল পরিমান তথ্যের একটি Tab (এটাকে একটা ফাইল ও ধরা যায়) চলে এসেছে ঠিক চিত্রঃ ০৮ এর মতন। দেখুন শুরুতেই এখানে অনেক তথ্য দেখাচ্ছে, এটা শুধু System Summary বা সিস্টেম সারাংশ। এখন আপনি ডানের বার থেকে কেটাগরি সিলেক্ট করে তার সাব কেটাগরিতে গিয়ে ফাইল খুলে খুলে তথ্য গুলি দেখতে পারেন।
                                                                                                       সংগৃহীত