Technobd CsE: Techno Future This is all about technology,Letest techology update are publish here.new and fresh update news are publish here,free internet for android,pc problem,it,ict,fb hack,how to hack, haking tips,learning progamming,games,windows,spesial download file!

banarad

Techno Future লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
Techno Future লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শনিবার, ২৫ নভেম্বর, ২০১৭

ই-কমার্স কি | এবং কিভাবে তৈরি করতে হয় ই-কমার্স ওয়েবসাইট | গাইড লাইন |

By on নভেম্বর ২৫, ২০১৭

                       আসুন ই-কমার্সের সম্পর্কে কিছু জানি


অনলাইনে কেনা বেচার মাধ্যম হচ্ছে ই-কমার্স। ইলেকট্রনিক্স কমার্স বিভিন্ন ভাবে ব্যবহৃত হয়, যেমন: মোবাইল কমার্স, ইলেকট্রনিক্স ফান্ড ট্রান্সফার, সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্ট, ইন্টারনেট বিপণন, অনলাইন লেনদেনের প্রক্রিয়াকরণ এবং ইলেকট্রনিক্স ডেটা ইন্টারচেঞ্জ (ইডিআই)। আধুনিক ইলেকট্রনিক্স কমার্স আমাদের জীবনে একটি গুরত্বপূর্ণ অংশ হয়ে আছে যা নাকি ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব ব্যবহার করে পরিচালিত হয়।


ই-কমার্স কি?

ইলেকট্রনিক কমার্স কে সংক্ষেপে ই-কমার্স বলা হয়। এটি একটি আধুনিক ব্যবসা পদ্ধতি। ইন্টারনেটের মাধ্যমে এ ব্যবসা এবং লেনদেন পরিচালিত হয়ে থাকে। বস্তুত ইলেকট্রনিক কমার্স হচ্ছে ডিজিটাল ডাটা প্রসেসিং এবং ট্রান্সমিশনের মাধ্যমে কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের ব্যবসা সংক্রান্ত আদান প্রদান। সাধারণত এ কাজটি সম্পাদন করা হয় সবার জন্য উন্মুক্ত একটি নেটওয়ার্ক তথা ইন্টারনেটের মাধ্যমে। তাই বলা যায় ইন্টারনেটের মাধ্যমে কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের ব্যবসা সংক্রান্ত আদান প্রদান বা লেনদেন করার প্রক্রিয়াই হলো ই-কমার্স।

ই-কমার্সের বির্বতন প্রক্রিয়াঃ

 ১৯৬০ সালে ইলেকট্রনিক্স ডেটা ইন্টারচেঞ্জ (ইডিআই) এর মাধ্যমে ই-কমার্সের যাত্রা শুরু হয়। ইন্টারনেটের প্রসারের সাথে সাথে দ্রুত ই-কমার্সের জনপ্রিয়তা বাড়তে থাকে। সেই প্রেক্ষাপটে ১৯৯০ থেকে ২০০০ সালে এর ব্যাপক বিস্তৃতি ঘটে। বিশেষ করে ১৯৯৫ সালে আমাজন ও ইবের মাধ্যমে ই-কমার্সের এক নতুন অধ্যায় শুরু হয়। ২০১০ সালের পরবর্তিতে মোবাইলের ব্যাপক প্রসারের সাথে সাথে ই-কমার্সের নতুন যাত্রা যোগ হয়। এক্ষেত্রে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলো এতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, বিশেষ করে ফেসবুকের মাধ্যমে। এর ফলস্রুতিতে ২০১৩ সালে ১.২ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারের পণ্য ই-কমার্সের মাধ্যমে কেনা-বেচা হয়, যার ৩৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার মোবাইলের মাধ্যমে আমেরিকার বাজারে কেনা-বেচা হয়। দিনদিন এর পরিমান বেড়েই চলছে।

ই-কমার্স প্রক্রিয়াটি যেভাবে কাজ করেঃ


ই-কমার্স সিস্টেমে একটি ওয়েব সাইট থাকে। উক্ত সাইটকে বলা হয় ই-কমার্স সাইট। ই-কমার্স সাইটে বিভিন্ন ধরনের পন্য এবং এদের দামসহ অন্যান্য বিবরণ দেওয়া থাকে।  ক্রেতা ওয়েবসাইটের মাধ্যমে নির্দিষ্ট কোন পণ্যের অর্ডার প্রদান করেন। অর্ডার গ্রহন করার জন্য ওয়েবসাইটে শপিং কার্টের ব্যবস্থা থাকে। তাতে ক্লিক করলে ক্রেতার কাছে নির্দিষ্ট পরিমান অর্থ প্রদান করতে বলা হয়। ক্রেতা ক্রেডিট কার্ডের প্রয়োজনীয় তথ্যাদি সরবরাহ করে উক্ত পরিমান অর্থ প্রদান করেন।  আর্থিক লেনদেনের এ বিষয়টি অত্যন্ত সুরক্ষিত উপায়ে সম্পন্ন হয়ে থাকে। অর্থপ্রাপ্তি নিশ্চিত হওয়ার পর অর্ডার ফরমটির যাবতীয় কার্যক্রম সমপন্ন হয়ে যায়। এ সংক্রান্ত তথ্য একই সাথে ই-মেইল আকারে ক্রেতা, বিক্রেতা এবং ওয়্যার হাউসে প্রেরিত হয়। প্রয়োজনীয় অর্ডার ফরমটি পৌছালে ক্রেতাকে উক্ত পণ্য সরবরাহের উদ্দেশ্য পণ্য পরিবহন সংস্থায় পৌঁছে দেওয়া হয়। নির্দিষ্ট ক্যারিয়ার উক্ত শিপমেন্টকে নির্দিষ্ট সময়ে ক্রেতার বাড়িতে পৌছে দেয়। কিছু কিছু ক্ষেত্রে পরিববহনের জন্য কোন ফি নেওয়া হয় না আবার কোন কোন ক্ষেত্রে পরিববহনের জন্য অতিরিক্ত ফি নেওয়া হয়। এটা নির্ভর করে সেবা দানকারী প্রতিষ্ঠানের উপর।


প্ৰাথমিক ভাবে ই-কমার্সকে চার ভাগে ভাগ করতে পারি। যেমনঃ

১. Business to Business (B2B)

২. Business to Consumer (B2C)

৩. Consumer to Consumer (C2C)

৪. Consumer to Business (C2B)

Bangladesh Trade

(১) Business to Business (B2B): B2B এমন একটি ই-কমার্স মাধ্যম, যেখানে একটি পাইকারী ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের সেবা অথবা পণ্য অপর একটি পাইকারী বা খুচরা ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের কাছে বেচা-কেনা করা হয়। বর্তমান সময়ে ইন্টারনেটের মাধ্যমে এই ব্যবসাটি অনেক জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। কারণ বিশ্বব্যাপী যেকোন দেশের সাথে খুব সহজে ব্যবসায়িক সম্পর্ক গড়ে তোলা সম্ভব। এই ধরণের ওয়েবসাইটের মধ্যে জনপ্রিয় আলিবাবা, ইন্ডিয়ামার্ট, গ্লোবালসোর্স ইত্যাদি। ইতিমধ্যে আমাদের বাংলাদেশের প্রথম ও বৃহতম ওয়েবসাইট হিসেবে বাংলাদেশ ট্রেড ডেভলাপমেন্ট কাউন্সিল (বিডিটিডিসি), তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।

(২) Business to Consumer (B2C): ই-কমার্সের খুচরা বিক্রেতার সাথে ভোক্তার ব্যবসায়িক সম্পর্ককে B2C বলে। দৈনন্দিন জীবনে ভোক্তার প্রয়োজনীয় পণ্যসমূহ ইন্টারনেটের মাধ্যমে খুব সহজেই খুচরা বিক্রেতার মাধ্যমে ক্রয় করতে পারছে। এর মধ্যে বহুল জনপ্রিয় হচ্ছে: ইবে, আমাজন ইত্যাদি।

আন্তর্জাতিক বাজারে দেশীও পণ্যের বাজার সম্প্রসারনে কাজ শুরু করেছে বাংলাদেশ ট্রেড ডেভেলপমেন্ট কাউন্সিল (বিডিটিডিসি) নামে এই প্রতিষ্ঠানটি। আগামীতে আন্তর্জাতিক পরিসরে দেশীয় বাজার সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারবে বলে আশা প্রকাশ করছেন প্রতিষ্ঠানটির কর্ণধার কাজী আহমেদ। B2B ধারার এই প্রতিষ্ঠানটি আন্তর্জাতিক পরিসরে দেশিও পণ্যের বাজার সম্প্রসারণে বিশ্বজুড়ে দেশী পণ্যের প্রদর্শনী করবে ও বিদেশী ক্রেতার সাথে দেশী বিক্রেতার যোগাযোগে গুরুত্বপূণ্য ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। এর মাধ্যমে তাদের ব্যবসার উন্নতির ধারাবাহিকতায় একটি নতুন মাত্রা যোগ হবে এবং বাংলাদেশের বিভিন্ন পণ্যের আন্তর্জাতিক বাজারে বহিঃপ্রকাশ পাবে। এরই মধ্যে উৎপাদিত পণ্য আন্তর্জাতিক বাজারে অনলাইনে পাইকারী সেবা দিতে শুরু করেছে বাংলাদেশ ট্রেড ডেভোলাপমেন্ট কাউন্সিল (BDTDC)



ই-কমার্সের মাধ্যমে যে ধরণের  সেবা পাওয়া যাবেঃ

অনলাইন পণ্য ও সেবা
১. স্ট্রিমিং মিডিয়া
২. ইলেকট্রনিক ই-বুক
৩. সফটওয়্যার
রিটেইল সেবা
১. ব্যাংকিং
২. ফুড অর্ডারিং
৩. অনলাইন ফ্লাওয়ার ডেলিভারি
৪. ডিভিডি রেন্টাল
৫. ট্রাভেল
মার্কেটপ্লেস সেবা
১. ট্রেডিং কম্যুনিটি
২. নিলাম
৩. অনলাইন ওয়ালেট
৪. বিজ্ঞাপন
৫. মূল্য যাচাইয়ের তুলনামূলক সেবা

এছাড়া ব্যক্তিগত পর্যায়ে উৎপাদিত বা তৈরিকৃত পণ্যের বিপনন প্রক্রিয়াটিও ই-কমার্স সাইটের মাধ্যমে করা যায়।আপনার পণ্যের বিপনন বা বিক্রির জন্য প্রয়োজন হবে একটি ই-কমার্স ওয়েবসাইটের। ওয়েব সাইটটিতে আপনি আপনার পণ্যের ছবি, মূল্য সহ অন্যান্য বিষয় গুলো তুলে ধরবেন ক্রেতাগণ সাইটটির মাধ্যমে আপনার পণ্যের গুনাবলি এবং বৈশিষ্ট্য জানতে পারবে এবং তাদের চাহিদা অনুযায়ী অর্ডার করবে। এভাবে নির্দিষ্ট সিস্টেম অবলম্বন করে কাজটি সম্পন্ন করা হয়।


কয়েকটি ই-কমার্স সাইটের ঠিকানাঃ




১. Amazon.com
২. Ebay.com
৩. Quicker.com
৪. BestBuy.com ইত্যাদি।

এবার আসি কিভাবে নিজে  তৈরি করতে পারেন একটি ই-কমার্স ওয়েব সাইট সে বিষয়ে। একটি ই-কমার্স সাইট তৈরি করার জন্য আপনার যা যা প্রয়োজন হবে তা হলোঃ
১. ডোমেইন
২. হোস্টিং
৩. অনলাইন শপিং কার্ট টুল
৪. অনলাইনে পেয়মেন্ট গেটওয়ে


এছাড়া অন্যান্য কনটেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম ব্যবহার করেও আপনি ই-কমার্স সাইট তৈরি করতে পারবেন।আজ এ পর্যন্তই। পরবর্তিতে বিস্তারিত আলোচনা শুরু করা হবে একটি ই-কমার্স তৈরির প্রক্রিয়া নিয়ে। তাই সাথেই থাকুন ।ই-কমার্স ওয়েবসাইট সম্পর্কে আপনার মতামত কিংবা বাংলাদেশে এর চাহিদা বা প্রচলন কেমন হবে কিংবা এটি ইতিবাচক নাকি নেতিবাচক ব্যবসায়ীদের জন্য এই সম্পর্কে আপনার মূল্যবান মতামত কমেন্ট এ জানান।

বৃহস্পতিবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০১৬

শিগ্রই আসছে বঙ্গবন্ধু-১

By on ডিসেম্বর ০৮, ২০১৬
আমরা সবাই জানি দেশের চমকপ্রদ একটি গৌরব, দেশের প্রথম যোগাযোগ উপগ্রহ উড়তে যাচ্ছে  নিজস্ব কক্ষপথেই ,যোগাযোগ ব্যবস্থার সিংহ ভাগ উদঘাটনে আমাদের নিজস্ব স্বর্ণযামি।
 বঙ্গবন্ধু উপগ্রহ এর চিত্র ফলাফল
সুমুদ্র জয়ের পর এবার পালা মহাকাশ জয়এর।২০১৭ সালের ডিসেম্বরে বংবন্ধু উপগ্রহ বাঙ্গালি জাতির গৌরব আকাশে আবরতন করবে। সংযোজিত হবে আমাদের যোগাযোগ ব্যবস্থার নতুন এক দরজা, যা হয়ে উঠবে ডিজিটাল বাংলাদেশ এর নতুন অগ্রজাত্রা।বাংলাদেশের প্রথম স্যাটেলাইট ‘বঙ্গবন্ধু-১’-এর নির্মাণ ও উৎক্ষেপণের কাজ চলতি বছরের ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবসে শুরু হয়ে গেছে। দুর্যোগপ্রবণ বাংলাদেশে নিরবিচ্ছিন্ন টেলিযোগাযোগ সেবা দিতে ভূমিকা রাখবে এ কৃত্রিম উপগ্রহ। এটি চালু হলে বিদেশি স্যাটেলাইট ছাড়াই দেশের প্রত্যক্ত অঞ্চলে কম মূল্যে সম্প্রচার সেবা দেওয়া যাবে। এ ছাড়া টেলিমেডিসিন, ই-লার্নিং, ই-গবেষণা, ভিডিও কনফারেন্সিংয়সহ তথ্যপ্রযুক্তির বিভিন্ন খাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এটি। স্যাটেলাইট বিষয়ে বিটিআরসির পরামর্শক প্রতিষ্ঠান জানিয়েছে, স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণে নিয়োজিত অর্থ উৎক্ষেপণ পরবর্তী পাঁচ বছরের মধ্যেই উঠে আসবে।
কিন্তু সত্যি সত্যিই বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট আকাশে উড়বে কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। ২০০৭ সাল থেকে টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) এ বিষয়ে কাজ করলেও নানা পিছু টানে বারবার আটকে যাচ্ছে স্বপ্নের এই স্যাটেলাইট। তার বিশেষ কারন হল স্যাটেলাইট কোম্পানি স্পুটনিককে অরবিটাল স্লটের জন্যে ২ কোটি ৮০ লাখ ডলার দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু নির্ধারিত সময় পেরিয়ে যাওয়ার পরেও টাকা পরিশোধ করতে ব্যর্থ হয়েছে সরকার।তাছারা , বাংলাদেশ অপর দুটি অরবিটাল স্লটের জন্যে আবেদন করেছে সে দুটি হল ৬৯ ডিগ্রি পূর্ব এবং ১৩৫ ডিগ্রি পূর্ব। কিন্তু এই দুটি আবেদনের সমাধান করে এগিয়ে যেতে আরো বেশী সময় লাগবে। ফলে পুরো কাজই থেকে যাবে সময় সংক্রান্ত হুমকির মুখে।
তবে যাই  হোক সব বাধা পেরিয়ে সক্ষমতার পথে হাটছে বঙ্গবন্ধু ১। ফ্রান্সের স্যাটেলাইট কোম্পানি ‘থ্যালাস অ্যালেনিয়া স্পেস  সংযোজনে কাজ করে যাচ্ছে।সব মিলে স্যাটেলাইটটি মহাকাশে ওড়াতে খরচ হবে আড়াই হাজার কোটি টাকার মতো। তবে গত ২০১৩ সালে ব্যয় হিসাব করা হয়েছিল ২ হাজার ৯৬৭ কোটি টাকা। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী বছর ১৬ ডিসেম্বর মার্কিন কোম্পানি মহাকাশে স্যাটেলাইটটি উৎক্ষেপনের কাজ করবে।এবং ডিজিটাল ঊজ্জীবনের সম্ভামনাময় এর দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।

মঙ্গলবার, ১৭ নভেম্বর, ২০১৫

অবশেষে বন্ধ হচ্ছে ক্যান্ডি ক্রাশের আমন্ত্রণ

By on নভেম্বর ১৭, ২০১৫

              অবশেষে বন্ধ হচ্ছে ক্যান্ডি ক্রাশের আমন্ত্রণ





ফেসবুকে ক্যান্ডি ক্রাশ খেলার আমন্ত্রণে ত্যক্ত-বিরক্ত অনেকে? সুখবর হচ্ছে—এটি বন্ধ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন মার্ক জাকারবার্গ। আজ ভারতে আইআইটি দিল্লির টাউনহলে ফেসবুক ব্যবহারকারীদের ক্যান্ডি ক্রাশের আমন্ত্রণ বন্ধ করার প্রতিশ্রুতি দেন ফেসবুকের প্রধান নির্বাহী।
ক্যান্ডি ক্রাশ হচ্ছে ফেসবুক প্ল্যাটফর্মে জনপ্রিয় একটি গেম। গেমটির নির্মাতা কিং ডিজিটাল এন্টারটেইনমেন্ট। বিনা মূল্যের এ গেমটিতে বিভিন্ন পর্যায়ে ক্যান্ডি মিলিয়ে তা ভেঙে বিভিন্ন স্তর পার হতে হয়। নির্দিষ্ট কয়েকটি স্তর পার হতে গিয়ে নতুন বন্ধুদের আমন্ত্রণ জানাতে হয় অথবা কয়েক দিন পর্যন্ত অপেক্ষায় থাকতে হয়। আবার বন্ধুরা গেমটি বেশিক্ষণ খেলার জন্য লাইফ পাঠাতে পারেন। এ গেম যাঁরা বেশি খেলেন তাঁরা প্রায়ই ফেসবুকের বন্ধুদের কাছে আমন্ত্রণ পাঠান। যা নোটিফিকেশন আকারে দেখায় ফেসবুক। যাঁরা এ গেমটি পছন্দ করেন না, তাঁদের কাছে চরম বিরক্তিকর বিষয় এটি। বিশ্বের সবচেয়ে বিরক্তিকর বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে ক্যান্ডি ক্রাশ খেলার আমন্ত্রণ। 
আজ ভারতের টাউনহলে এক শিক্ষার্থীর প্রশ্নের জবাবে জাকারবার্গ বলেছেন, ক্যান্ডি ক্রাশের আমন্ত্রণ বন্ধ করার জন্য কাজ চলছে। তবে কবে ও কখন এ পরিবর্তন আসবে সে বিষয়ে বিস্তারিত জানাননি তিনি। গেমটির নির্মাতা কিংয়ের পক্ষ থেকেও কোনো মন্তব্য করা হয়নি।



Recomanded Article :

Clash of Clans Unlimited Mod/Hack v7.200.19[v 0.4] APK! [January UPDATE]

Clash of Clans Hack Unlimited! No Ban! PvP! Clans Introduced!
We bring you the Mod/Hack of Clash of Clans, currently,  the most trending game. Tested many times, for stability, this mod is surely going to enhance your level of gaming! Attack other players, and loot their resources. This is a perfect mirror of official server, except that you get everything Unlimited!

POSTED BY :TANBIR HASAN


সোমবার, ১৬ নভেম্বর, ২০১৫

সহজ ভাষায় প্রোগ্রামিং

By on নভেম্বর ১৬, ২০১৫

                                                          প্রোগ্রামিং  কি ?? সহজ ভষায়



সহজ ভাষায় কম্পিউটার প্রোগ্রামিং কি ও কেন? কম্পিউটার প্রোগ্রাম হচ্ছে CPU কে দেয়া একটা নির্দিষ্ট Instruction sequence. কম্পিউটার নিজে থেকে কোন কাজ করতে পারে না। কোন কাজের পর কোন কাজ করবে সেগুলো একটার পর একটা প্রোগ্রামে বলে দেয়া হয়। কম্পিউটার প্রোগ্রম কে আমরা রান্নার সাথে তুলনা করতে পারি। যেক্ষেত্রে অধ্যাপিকা সিদ্দিকা করিরের “রান্না খাদ্য পুষ্টি” বইটা হবে এ্কটা প্রোগ্রামিং এর বই। আর CPU হচ্ছে রাঁধুনি। একজন রাঁধুনি এই বইয়ের বিভিন্ন প্রোগ্রাম দেখে বিভিন্ন জিনিস রান্না করতে পারবেন। যেমন আমরা যদি রাঁধুনিকে বলি কাচ্চি বিরিয়ানি রান্না করতে তাহলে সে প্রথমে কাচ্চি বিরিয়ানি প্রগ্রামটা রান করবে। এই প্রগ্রামে বলে দেয়া আছে কিভাবে কাচ্চি বিরিয়ানি রান্না করতে হবে। প্রথমে মাংস ধুয়ে লবন মেখে ৩০ মিনিট রাখতে হবে। তারপর পেয়াজ ঘিয়ে বাদামি করে ভেজে ঠান্ডা হখে গুড়ো করতে হবে। এভাবে নয়টা ইন্সট্রাকশন পরপর দেয়া আছে। যখন একজন রাঁধুনি একটার পর একটা এই ইন্সট্রাকশন গুলো অনুযায়ী কাজ করে যাবে শেষে দেখা যাবে আউটপুট হিসাবে আমরা কাচ্চি বিরিয়ানি পাব। যদি ইন্সট্রাকশন গুলোতে কোন ভুল (আমরা যেটাকে বলব bug) খাকে তাহলে উল্টাপাল্টা রেজাল্ট পাব। ধরা যাক আমাদের রাঁধুনি শুধু ম্যান্ডারিন (চাইনিজ) ভাষা জানে, তাহলে হয় তাকে ম্যান্ডারিন ভাষায় ইন্সট্রাকশন দিতে হবে, নাহয় একজন দোভাষী অনুবাদক লাগবে (যেটাকে আমরা Compiler বলি)। কম্পিউটারকে দিয়ে আমরা একইভাবে কোন একটা কাজ করাতে পারি। তার জন্য একটার পর একটা ইন্সট্রাকশন লিখে দিতে হবে। এই ইন্সট্রাকশন লিখে দেয়ার প্রক্রিয়াটা হচ্ছে কম্পিউটার প্রোগ্রামিং। কম্পিউটার প্রোগামিং এর জন্য আমরা C ল্যাংগুয়েজ ব্যবহার করব। কম্পাইলার হিসাবে আপনারা http://codeblocks.com/ ব্যবহার করতে পারেন প্রাথমিকভাবে। কম্পিউটারের ডাটা টাইপ: কম্পিউটার এ আমরা সাধারণত ৩ ধরনের ডাটা টাইপ ব্যবহার করি। প্রথমটা নাম্বার- বিভিন্ন ধরনের সংখ্যা আমরা ব্যবহার করতে পারি। 15 23.8 -67 -13.78 এরপর আছে String (স্ট্রিং). এক বা একাধিক বর্ণ বা সংখ্যা বা চিহ্ন ব্যবহার করে কোন তথ্য উপস্থাপন করতে হরে আমরা String ব্যবহার করি। নিচে কিছু String এর উদাহরণ দেয়া হলঃ “Dhaka” “বাংলাদেশ” “সিরাজগঞ্জ-৭” “১২৫৬” “12387” “আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালবাসি” String বোঝানোর জন্য আমরা কোটেশন মার্ক (“) ব্যবহার করি। যেমন 12367 একটা নাম্বার কিন্তু “12367” একটা String। আর এক ধরণের ডাটা টাইপকে আমরা বলি boolean (বুলিয়ান) বা সংক্ষেপে bool। এটাতে শুধুমাত্র True বা False এই দুইটা মান রাখা যায়। ০ থেকে ৯ ব্যবহার করে যেমন সব সংখ্যা লেখা যায় তেমনি এই তিন ধরনের ডাটা টাইপ ব্যবহার করে আমরা যে কোন ধরণের ডাটা কম্পিউটারে উপস্থাপন করতে পারি। C ল্যাংগুয়েজে আমরা যেসব primitive ডাটা টাইপ ব্যবহার করি সেগুলো হলঃ int, char, short, long, float, double এই টাইপগুলো ব্যবহার করে সব ধরনের তথ্য উপস্থাপন করা যায়

**********************************
এখন আপনাদের কিছু প্রোগ্রামারদের সফলতা সম্পরকে জানাব


প্রোগ্রামিং ও প্রোগ্রামারের কয়েক দশকের সফলতা দেখে নিজেকে উৎসাহিত হোন,

প্রোগ্রামিং এর শহর এক জাদুর শহর।প্রোগ্রামাররা তাদের সারাজীবনের কষ্ট একত্রিত করে তাদের পরবর্তী প্রজন্মের জন্য সুন্দর পৃথিবী বিনির্মানে কাজ করে যাচ্ছেন।সেই প্রোগ্রামারদের ইতিবাচক ইতিহাস নিয়ে আজকের আর্টিকেল।

Posted by Md Sazibur Rahman Sajib

মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০১৫

স্বপ্ন যখন প্রকৌশলী (Engineer) হওয়া…

By on অক্টোবর ২০, ২০১৫

তোমাদের মধ্যে যারা স্বপ্ন দেখছো প্রকৌশলী হবে, তারা নিশ্চয়ই সেভাবে নিজেকে তৈরী করছো। গণিত এবং বিজ্ঞানের প্রতি একটা ভালবাসা নিয়ে বেড়ে উঠেছো।
আজ আমরা জানবো বাংলাদেশের প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়গুলো সম্পর্কে। অর্থাৎ কোন কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে তুমি ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে পড়তে পারবে।
বাংলাদেশে মোট পাঁচটি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে যেখানে শুধুমাত্র ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়েই পড়াশোনা হয়। সেগুলো হলঃ
৫। ডুয়েট (DUET)(শুধুমাত্র ডিপ্লোমা পাশ ইঞ্জিনিয়ারদের জন্য)
গুলোতে কী কী বিষয় এর উপর ডিগ্রী দেয়া হয়, তার বিস্তারিত তোমরা এই বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ওয়েবসাইট থেকে জানতে পারবে। ধন্যবাদ